অমিত শাহ আসছেন পেট্রাপোলে, আজ থেকে ৩ দিন বন্ধ বেনাপোল স্থল বন্দর

0

বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা॥ বেনাপোল স্থল বন্দরের বিপরীতে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ‘প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল’ উদ্বোধন করতে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আসছেন। তার নিরাপত্তাজনিত কারণে আজ মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৩ দিনের জন্যে বন্ধ থাকবে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। শুক্রবার সপ্তাহিক ছুটি থাকায় সর্বমোট চারদিন বন্ধ থাকছে এ দু বন্দর। শনিবার সকাল থেকে পুরোদমে আমদানি-রফতানি চলবে।
আজ মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন ভারতের পেট্রোপোল বন্দর কর্তৃপক্ষের ম্যানেজার কমলেশ সেন। অমিত শাহের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। চিঠির বিষয়টি বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) রাশেদুল সজিব নাজির নিশ্চিত করেছেন।
ভারতের পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে এশিয়ার বৃহত্তম স্থলবন্দর পেট্রাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল উদ্বোধন করতে আসছেন ২৪ অক্টোবর। এদিন একাধিক কর্মসূচি ও স্থাপনা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তার যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। তার সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে মঙ্গলবার থেকে আমদানি-রফতানি বন্ধ রাখা হবে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর রহমান বলেন, পেট্রাপোলে আধুনিক মানের যাত্রী টার্মিনালসহ অন্য স্থাপনা উদ্বোধন উপলক্ষে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে সীমান্তে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামীকাল(মঙ্গলবার) থেকে শুক্রবার পর্যন্ত আমদানি-রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে পুরোদমে আমদানি-রফতানি চলবে।
আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে কিনা, জানতে চাইলে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমতিয়াজ ভূঁইয়া বলেন, পেট্রাপোল বন্দরের চিঠিতে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকার কথা বলা হলেও ভারতীয় ইমিগ্রেশন থেকে যাত্রী চলাচল বন্ধ নিয়ে কিছুই জানায়নি।
এদিকে অমিত শাহের আগমন উপলক্ষে গোটা পেট্রাপোল সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও পুলিশ বাহিনীকে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। সাথে ডগস্কোয়াড বাহিনীও রয়েছে। পরিচয়পত্র ছাড়া কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানান ওপারের সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ীরা।