অভয়নগরে ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায়; যশোর জেলা আ.লীগ সভাপতি মিলন ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’

0
শহিদুল ইসলাম মিলন, ছবি: সংগৃহীত।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে যশোরের অভয়নগরে গুলিবর্ষণ, বোমা হামলা ও দোকানপাট ভাঙচুরের মামলায় যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আশরাফুল আলমের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুবা শারমিন এই আদেশ প্রদান করেন।

এদিন মিলনের আইনজীবী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট ইন্সপেক্টর রোকসানা খাতুন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন চলাকালে অভয়নগরের নওয়াপাড়া এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ১২টার দিকে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নওয়াপাড়া হাইওয়ের ফেরিঘাট এলাকায় অবস্থান নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, সেখান থেকে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা চালানো হয়। একইসঙ্গে বাজারের বহু দোকানপাটে ভাঙচুর চালায় হামলাকারীরা।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর অভয়নগরের বুইকারা গ্রামের জোবায়ের হোসেন বাদী হয়ে মারপিট, ভাঙচুর ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত চলাকালে পুলিশ এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায়।

উল্লেখ্য, শহিদুল ইসলাম মিলন অন্য একটি মামলায় আগে থেকেই কারাগারে আটক ছিলেন। গত ৫ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে এই নির্দিষ্ট মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। রোববার শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।