কুরবানির বাজার ধরতে প্রস্তুত অভয়নগরের খামারিরা

0

নজরুল ইসলাম মল্লিক, অভয়নগর (যশোর)॥ কুরবানির বাজার ধরতে প্রস্তুত অভয়নগরের খামারিরা। তবে পশু হৃষ্টপুষ্ট করতে খরচ বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। এ অবস্থায় বন্ধ হয়ে গেছে অনেক খামার ও কমেছে পশুর সংখ্যা।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ কুরবানির পশুর সংখ্যা কমার কথা স্বীকার করলেও তাদের দাবি চাহিদা পূরণে কোন প্রভাব পড়বে না। যশোর জেলা মধ্যে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণে বেশ এগিয়ে অভয়নগর উপজেলা। বিশেষ করে ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ হওয়ায় খামার স্থাপনের মাধ্যমে এ উপজেলায় গরু পালন বাড়ে। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও কুরবানির বাজার ধরতে গরু হৃষ্টপুষ্ট করেছেন খামারিরা। তবে পশু পালনে খরচ বাড়ায় গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর কমেছে খামারির সংখ্যা। এ বছর প্রায় ৩ হাজার কুরবানির পশু কমেছে।

ডুমুরতলা আসাদ এগ্রো ও ডেইরি ফার্মের মালিক বলেন, বর্তমান বাজার মূল্যে খামার টিকিয়ে রাখা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া অতি যত্নে পালন করা পশুর সঠিক দাম পাবো কিনা তা নিয়েও শংকায় আছি।
প্রাণিসম্পদ বিভাগ কুরবানির পশুর সংখ্যা কমার কথা স্বীকার করলেও তাদের দাবি গ্রামে বাড়ি বাড়ি যে গরু -ছাগল পালন করা হয়েছে তাতে চাহিদা পূরণে কোন সমস্যা হবে না।

অভয়নগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবু জার সিদ্দিকী জানান, এ বছর ২ হাজার ২শ ৯০ টি গরু ও ৭ হাজার ৩শ ৯২টি ছাগল কুরবানির জন্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, কুরবানির জন্যে উপজেলায় প্রায় ৭ হাজার ৬শ ২৮টি গরু-ছাগলের চাহিদা রয়েছে। বিপরীতে প্রস্তুত করা হয়েছে ৯ হাজার ৬ শ ৮২ টি গরু-ছাগল।  এ উপজেলায় খামারি রয়েছেন ৯শ ৩ জন। গত বছরের তুলনায় কমেছে ৭শ ১৭ জন।

বন্ধ হয়ে যাওয়া বৃহত্তর পরোশ এগ্রো ফার্মের মালিক আনিসুর রহমান বলেন, অব্যাহত লোকাসানের কারণে খামারটি বন্ধ করে দিতে হয়েছে।