নতুনের প্রত্যাশায় স্বাগতম ২০২৫

0

হাবিবুর রহমান রিপন॥ মঙ্গলবারের সূর্যাস্তের মধ্যে কালের অতল গহ্বরে বিলীন হয়েছে আরও একটি বছর। বিদায় ২০২৪, স্বাগত ২০২৫। ঘড়ির কাঁটা ১২টা অতিক্রমের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নতুন বর্ষ ২০২৫ গণনা। দেশ-বিদেশে কত ঘটনা, হাসি-কান্না, বিষাদ ও উত্তেজনা- সবকিছুকে ছাপিয়ে স্বপ্ন আর দিনবদলের অপরিমেয় প্রত্যাশার রক্তিম আলোয় উদ্ভাসিত ইংরেজি ক্যালেন্ডারের নতুন দিন। নতুন বছর নতুন কল্যাণময়ে শুরু হোক আমাদের পথচলা। অন্যান্য বছরের তুলনায় বিদায়ী বছরটি অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেললেও লক্ষ্যচ্যুত হয়নি বাংলাদেশ। বছরটি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের জন্য সবচেয়ে বেশি আন্দোলিত, যেখানে ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। গঠিত হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। হঠাৎ বন্যা, শীত, গরমের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সামাজিক অস্থিরতাও জনজীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। তবে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেও অব্যাহত রয়েছে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা। একই সময় যুদ্ধ, বৈশ্বিক মন্দা, ডলার সংকটসহ মজুতদারির কারণে দ্রব্যমূল্য ফোয়ারার জলের মতো নাচতে নাচতে উপরে উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঘোড়ার লাগাম হাতে অনবরত ছুটতে গিয়ে ক্লান্ত হয়েছে নতুন সরকার। তবুও হাল ছাড়েনি। শেখ হাসিনা সরকারের কলঙ্কিত নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের পর দ্রুত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রত্যাশা করছে জনসাধারণ।
খ্রিস্টিয় নববর্ষ-২০২৫ উপলক্ষ্যে দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন বছর আমাদের মাঝে বয়ে এনেছে এক নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনা।
নতুন বছরে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘নতুনের আগমনী বার্তা আমাদের উদ্বেলিত করে, নব উদ্যমে সুন্দর আগামীর পথচলার জন্য অনুপ্রেরণা যোগায়। নতুন বছরের এই মাহেন্দ্রক্ষণে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নতুন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উন্নতির নতুন শিখরে আরোহণে অঙ্গীকারবদ্ধ বর্তমান অন্তর্র্বতীকালীন সরকার।’
ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের সবাইকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এক বিজ্ঞপ্তিতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।
তিনি বলেন, গত বছরটি এখন আমাদের মনে জাগরূক হয়ে থাকবে। গত বছরের বেশকিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা, ছাত্র-জনতার আত্মদান এবং অধিকার হারানোর যন্ত্রণা আগামী বছরে আমাদের একদিকে যেমন বেদনার্ত করবে আবার অন্যদিকে নতুন উদ্যোমে শান্তি, সম্প্রীতি ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনায় আমাদের উদ্বুদ্ধ করবে। আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার হবে-জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ শক্তিশালী করা ও অর্থনীতির পুনরুদ্ধারসহ বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনে একযোগে কাজ করা। বাংলাদেশে অজস্র রক্তঋণে অর্জিত গণতন্ত্রের প্রয়োগ ও অনুশীলনে আমাদের তৎপর হতে হবে। গণবিরোধী পরাজিত শক্তি এতদিন জনগণের সকল অধিকারকে বন্দি করে রেখেছিল। এমতাবস্থায় সকল গণতান্ত্রিক শক্তির মিলিত প্রচেষ্টায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করতে হবে।
২০২৫ কাটবে নানা ঘূর্ণাবর্তে। বিশেষত রাজনীতির মাঠ থাকবে উত্তপ্ত। এমনটাই বলছেন জ্যোতিষীরা। বেশ কিছু ঘটনা ঘটবে। প্রধান উপদেষ্টা যেমনটি বলেছেন নির্বাচন হতে পারে ২০২৫-এর শেষ বা ২০২৬-এর শুরুতে। কিন্তু সুস্পষ্ট কোনো ঘোষণা না থাকায় এ নিয়ে রাজনীতির মাঠে চলছে বিতর্ক। অনেক বিশে¬ষকরাও বলছেন- একটি নির্দিষ্ট রোডম্যাপ জরুরি। তবে বেশ কিছু ইস্যুতে লু-হাওয়া বইবে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ ২০২৪ সালের বর্ষসেরা দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে নির্বাচিত করেছে। বাংলাদেশকে বিজয়ী ঘোষণার প্রসঙ্গে সাময়িকীটি বলছে, ‘বাংলাদেশ একজন স্বৈরশাসকের পতন ঘটিয়েছে। আগস্টে ছাত্রদের নেতৃত্বে রাজপথের আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। সাড়ে ১৭ কোটি জনসংখ্যার এই দেশটির স্বাধীনতার নায়কের কন্যা শেখ হাসিনা একসময় দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রতীক ছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার শাসন দমনমূলক হয়ে ওঠে। নির্বাচনে কারচুপি, বিরোধীদের দমন করা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানো নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া শেখ হাসিনা শাসনামলে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে।’
ইকোনমিস্টের বিবেচনায় বর্ষসেরা হওয়া বাংলাদেশ কী বহুল আলোচিত সংস্কারের পথে যাত্রা শুরু করতে পারবে এ প্রশ্নের জবাব সম্ভবত জানুয়ারিতে অনেকটাই স্পষ্ট হবে।
রাজনৈতিক দলগুলো বিশেষ করে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো দ্রুত নির্বাচনের তাগিদ দিচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনুস আগামী বছরের শেষ দিক থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের পর জাতীয় নির্বাচন ২০২৫ নাকি ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে রাজনৈতিক অঙ্গনে এ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। বিএনপি দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে বেশ উচ্চকণ্ঠ। দলের নীতি নির্ধারকরা মনে করেন, নির্বাচনের জন্য চার থেকে ছয় মাসের বেশি সময় লাগার কথা নয়। নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, সিপিবি, জে এস ডি, গণঅধিকার পরিষদের একাংশ, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট দ্রুত নির্বাচনের তাগিদ দিচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী এতদিন নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে বলে আসছিল যে, ‘নির্বাচন নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়। আগে সংস্কার পরে নির্বাচন।’ এখন তারা সময়সীমা নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছে। দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল¬াহ মোহাম্মদ তাহের সম্প্রতি বলেছেন, ‘সংসদ নির্বাচন ২০২৫ সালের মধ্যেই হতে হবে।’
বিএনপিসহ অধিকাংশ দলের দ্রুত নির্বাচনের দাবির সঙ্গে স্পষ্ট মতপার্থক্য বিরাজ করছে জাতীয় নাগরিক কমিটির। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে গঠন করা হয়েছে নাগরিক কমিটি। এই কমিটির নেতৃবৃন্দ গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার কথা বলছেন বারবার।
অন্তর্র্বতী সরকারের অঙ্গীকারের অন্যতম হচ্ছে, ছাত্র আন্দোলন দমনের চেষ্টায় ‘গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী’ অপরাধের দুই অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দায়ীদের বিচার করা। এরই মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, তাদের লক্ষ্য সবার আগে অপরাধের ‘নিউক্লিয়াস’ শেখ হাসিনার বিচার করা। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ভারতে আশ্রয় নিয়ে এখনো ভারতেই অবস্থান করছেন। শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। ২৩ ডিসেম্বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিচারের মুখোমুখি করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ।’ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে তারা এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করানো, সরকারের জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে। অন্তর্র্বতী সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকার প্রয়োজনীয় সবই করবে। তবে এ ক্ষেত্রে সরকার আদৌ সফল হবে কি না, সে বিষয় এখনো অনিশ্চিত। কারণ গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর বিষয়টি ভারতের পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন। এর বড় কারণ হলো, শেখ হাসিনা তার শাসনামলে ভারতকে একতরফাভাবে ট্রানজিট-ট্রানশিপমেন্টসহ অনেক সুবিধা দিয়েছেন। ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের প্রাপ্তি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন রয়েছে। যেমন তিস্তা নদীর পানি প্রাপ্তির বিষয়টি ভারত ঝুলিয়েই রেখেছে। শুধু গণহত্যার দায় নয়, অন্তর্র্বর্তী সরকারকে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্য এবং মন্ত্রী-এমপি ও প্রশাসনের কর্তাদের দুর্নীতির কার্যক্রমও এগিয়ে নিতে হবে। ২৩ অক্টোবর গণমাধ্যমের খবর হয়, শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ মিলিয়ন (৩০ কোটি) ডলার পাচারের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই বিপুল অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শুরু থেকেই অন্তর্র্বতী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। সরকারের অনেক চেষ্টা ও উদ্যোগ সত্ত্বেও পুলিশি কার্যক্রম এখনো স্বাভাবিক নয়। ছিনতাই-ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হয়েই চলেছে। ‘বেপরোয়া ছিনতাই, একের পর এক ঝরছে প্রাণ’ শিরোনামে, সংবাদপত্রে একের পর এক খবর প্রকাশ হচ্ছে। মানুষ ছিনতাই ও ডাকাতির শিকারও হচ্ছেন। চাঁদপুরের হাইমচরে মেঘনা নদীতে সারবাহী জাহাজে কুপিয়ে ও গলা কেটে সাতজনকে হত্যা করা হয়েছে। নতুন বছরে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করা এবং পুলিশকে পুরোপুরি সক্রিয় করে তোলা সরকারের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আরেকটি প্রধান ইস্যু হচ্ছে- নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা। সরকার এক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত সফলতা দেখাতে পারেনি। অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ শুরুতে একই সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরে একজন শিল্পপতিকে বাণিজ্য উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু এতেও বাজার পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। জিনিসপত্রের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষ দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে আছে। বাজার সিন্ডিকেটের কাছে সরকার যেন অসহায়, অর্থ উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বক্তব্যে এমনটাই মনে হয়েছে। সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে উপদেষ্টা বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা যথেষ্ট শক্তিশালী, বাজার ব্যবসার ক্ষেত্রটি বেশ জটিল আর এই জটিল জিনিস ভাঙা বেশ কঠিন।’
সর্বশেষ দুঃসংবাদ সচিবালয়ের ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। এতে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের নথি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সরকার এ ঘটনায় নাশকতা খুঁজে পায়নি। সরকারি তদন্ত সংস্থা বলছে শটসার্কিট থেকে আগুনের উৎপত্তি। তবে সাধারণের প্রশ্ন উঠেছে, এটি সত্যি সত্যিই কি অগ্নিকাণ্ড নাকি নাশকতা ও ষড়যন্ত্র রয়েছে এর পেছনে? কেননা বিগত সরকারের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সবচেয়ে বেশি যে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে, পুড়ে যাওয়া নথিপত্র অধিকাংশই সেসব মন্ত্রণালয়ের।
যে বিখ্যাত সাময়িকী বাংলাদেশকে ২০২৪ সালের বর্ষসেরা দেশের খেতাব দিয়েছে সেই সাময়িকীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশের খেতাব অর্জনের পর দ্য ইকোনমিস্টের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘আমি আমার কাজ করছিলাম এবং তা উপভোগ করছিলাম। আমাকে ভিন্ন কিছু করার জন্য সরিয়ে আনা হয়েছে। আমি আমার নিয়মিত কাজে ফিরে যেতে পারলে খুশি হবো।’ প্রধান উপদেষ্টা সংস্কার, নির্বাচন আয়োজনসহ দুরূহ চ্যালেঞ্জগুলো কতখানি সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করে তার কাজে ফিরে যেতে পারবেন, তাই এখন দেখার বিষয়।