রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা নিতে দেয়া হচ্ছে না : ব্যারি. মাহবুব

0

 

খুলনা ব্যুরো।। বিদেশে চিকিৎসা নিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ভাইয়ের করা আবেদনে আইন মন্ত্রণালয়ের সাড়া না দেয়াকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ণ সিদ্ধান্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। রোববার খুলনা জেলা আইনজীবী মিলনায়তনে লুন্ঠিত ভোটাধিকার, গণতন্ত্রপুণরুদ্ধার ও বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্ট খুলনার উদ্যোগে পদযাত্রাপূর্ব সমাবেশে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, অবৈধ সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আবারো প্রমাণিত হয়েছে যে দেশে আইনের শাসন নেই। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়ার সাথে ভয়ঙ্কর তামাশা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে সরকার চাইলেই তাকে মুক্তি দিতে পারে। যদিও দেশ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনে রাজবন্দিদের মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসা করানোর নজির আছে। কিন্তু আমরা দেখলাম রাজনৈতিকভাবে প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্ট-খুলনার সভাপতি গাজী আব্দুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ৪৫ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে লুটেরা সরকার উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সমগ্র দেশের মানুষ জেগে উঠেছে একটি মাত্র দাবি নিয়ে। সেই দাবি হচ্ছে এই মুহূর্তে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, এই মুহূর্তে সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে এবং নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। নতুন নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠান করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহবায়ক, সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্টের যুগ্ম আহবায়ক সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, প্রধান সমন্বয়কারী, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির আইন সম্পাদক ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল, সুপ্রীমকোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক, বার কাউন্সিল বাংলাদেশের সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, জাতীয়তাবাদী আইন ফোরাম, সুপ্রিমকোর্ট ইউনিটের সভাপতি ও ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া, জাতীয়তাবাদী আইন ফোরাম, সুপ্রিমকোর্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী কামরুল ইসলাম সজল, ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্টের অন্যতম সমন্বয়ক সৈয়দ মামুন মাহাবুব,খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় সদস্য শফিকুল আলম মনা, খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম মনা, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম মন্টু, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সহসভাপতি এস আর ফারুক, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম খুলনার সভাপতি শেখ মাসুদ হোসেন রনি. জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম খুলনা বারের মোল্লা মো. মাসুম রশীদ, নুরুল হাসান রুবা, তৌহিদুর রহমান তুষার, খালিদ হাসান জনি, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নড়াইল বারের সভাপতি মো. আব্দুল হক, সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান লিটু, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম বাগেরহাট বারের সভাপতি মোশারেফ হোসেন মন্টু, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা বারের সভাপতি আব্দুল মজিদ, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কুষ্টিয়া বারের সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মুনির হোসেন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মেহেরপুর বারের সভাপতি মো. আদিল করিম, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চুয়াডাঙ্গা বারের সভাপতি শামীম রেজা, সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ঝিনাইদহ বারের সভাপতি দবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আরিফ মিলন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মাগুরা বারের সভাপতি রোকনুজ্জামান খান, সাধারণ সম্পাদক সাহেদ আহম্মেদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম যশোর বারের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস কচি, সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুর রহমান প্রমুখ। সমাবেশ শেষে দলীয় ও জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন প্লাকার্ড নিয়ে খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতি থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে কেডি ঘোষ রোড, পিসি রায় রোড, স্যার ইকবাল রোড হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সমানে পথসভার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।