সুন্দরবনে একশ’ কুমির অবমুক্ত

0

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি॥ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সুন্দরবনে একসাথে একশ’ কুমির অবমুক্ত করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র সংলগ্ন খালে প্রথমেই ৮টি কুমির অবমুক্ত করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খুলনাঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো, পশ্চিম সুন্দরবনের বিভাগীয় (খুলনা) বন কর্মকর্তা আবু নাসের মহসিন হোসেন, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ খুলনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নির্মল কুমার পাল, পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় (বাগেরহাট) বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ও করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবিরসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বনবিভাগের পক্ষ থেকে পুরো সুন্দরবনে একশ লবণ পানির প্রজাতির কুমির অবমুক্তের উদ্যোগ নেয়া হয়। সেই উদ্যোগের প্রেক্ষিতে বুধবার করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের খালে ৮ কুমির অবমুক্তের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। বুধবার পূর্ব ও পশ্চিম সুন্দরবনের ৪টি রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মোট ১শ টি কুমির অবমুক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে ২০টি, খুলনা রেঞ্জে ২০টি, পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জে ২০টি ও চাঁদপাই রেঞ্জে ২৪টি কুমির অবমুক্ত করা হয়। চাঁদপাই রেঞ্জে ২৪টির মধ্যে করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের খালে ৮টি, জোংড়া এলাকায় ৬টি, নন্দবালা এলাকায় ৫টি ও হাড়বাড়িয়ায় ৫টি অবমুক্ত করেছে বনবিভাগ। কুমির অবমুক্তকালে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেন, পুরো মুজিববর্ষ ধরে আমাদের কল্পনা ও স্বপ্ন ছিলো সুন্দরবনে ১শ টি কুমির অবমুক্ত করার। বুধবার একসাথে একশত কুমির অবমুক্তের মধ্যদিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। এর ফলে বিলুপ্ত প্রায় নোনা পানির কুমিরের অস্তিত্ব টিকে থাকবে।