মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মানহানির মামলা কৃষকদলের সদস্যের

0
মুফতি আমির হামজা, ছবি: সংগৃহীত।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি মো. আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে বুধবার দুপুরে যশোর আমলী আদালতে মামলা হয়েছে। জেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ও শহরের খড়কির শাহ আব্দুল করিম রোডের বাসিন্দা মো. মেহেদী হাসান জিল্লু মামলাটি করেছেন।

অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আছাদুল ইসলাম অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোরের পুলিশ সুপারকে আদেশ দিয়েছেন।

একই সাথে আগামী ১৬ জুন এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য্যরে আদেশ দেওয়া হয়েছে। বাদীর আইনজীবী এম. এ. গফুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় মো. মেহেদী হাসান জিল্লু উল্লেখ করেছেন, ২০২৩ সালে চট্টগ্রামে আয়োজিত একটি মাহফিলে বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে আমির হামজা সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে অশালীন ও সম্মানহানিকর বক্তব্য দেন।

একজন মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে এমন বক্তব্য শুধু কোকোর ব্যক্তিগত মর্যাদাকেই ক্ষুন্ন করেনি বরং এতে পুরো জিয়া পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। ওই বক্তব্যের কারণে কোকো ও তার পরিবারকে নিয়ে জনসমক্ষে হাস্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও আপত্তিকর।

চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি যশোরের লালদীঘির পাড়স্থ বিএনপি অফিসে অবস্থানকালে মো. মেহেদী হাসান জিল্লু অনলাইনে ওই বক্তব্যের ভিডিও দেখতে পান। এ বক্তব্য শুনে তিনি হতবাক ও মর্মাহত হন। এ ধরনের কটূক্তি ও অসম্মানজনক বক্তব্য জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী মানুষের আবেগ ও মর্যাদাকে আঘাত করেছে এবং এতে প্রায় ৫০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি বাধ্য হয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

এ বিষয়ে বাদীর আইনজীবী এম.এ গফুর বলেন, একটি স্বাধীনতাবিরোধী চক্র জিয়া পরিবারের নামে কটূক্তি করছে এবং মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছে। আমরা অনতিবিলম্বে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে মামলা করেছি। আদালত পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছে।