‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ও প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দিতে নীতিমালা জারি

0
নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা ঝুঁকি: রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রার্থীদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স নীতিমালা জারি ।। ছবি: সংগৃহীত
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সহিংসতা প্রতিরোধের লক্ষ্যে ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ এবং সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের জন্য বিশেষ আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও সশস্ত্র রক্ষী (রিটেইনার) নিয়োগের নীতিমালা জারি করেছে সরকার। আজ সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা–২০২৫’ শিরোনামে এই নীতিমালা প্রকাশ করে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত বর্তমান বা সাবেক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ব্যক্তিরা এই সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন। তবে লাইসেন্স পেতে অবশ্যই গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক যাচাইকৃত নিরাপত্তা ঝুঁকি বিদ্যমান থাকতে হবে।
লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগের শর্তাবলী:
মেয়াদ: এই নীতিমালার অধীনে অনুমোদিত লাইসেন্সের মেয়াদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে।
আয়কর শিথিলযোগ্য: লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়োজন হলেও, এই নীতিমালার অধীনে ব্যক্তিগত আয়কর প্রদান–সংক্রান্ত অংশ শিথিলযোগ্য থাকবে।
রিটেইনারের যোগ্যতা: প্রার্থীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ করা যাবে। রিটেইনারকে বাংলাদেশি নাগরিক, ন্যূনতম ২৫ বছর বয়স্ক, অপরাধমুক্ত এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হতে হবে। সশস্ত্র বাহিনী বা বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সদস্যরা অগ্রাধিকার পাবেন।
আচরণবিধি: অস্ত্র বহনকালে লাইসেন্স সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক। অস্ত্র ব্যবহার করে কাউকে হয়রানি বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করা যাবে না এবং অস্ত্র-সংক্রান্ত সব দায় লাইসেন্সধারীর ওপর বর্তাবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, রাজনৈতিক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে রিটেইনার নিয়োগ অনুমোদন করা হবে না।