জনগণের স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করতে লড়ছে বিএনপি : নার্গিস বেগম

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেছেন, জনগণের স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বিএনপি লড়াই করছে। এই লড়াইয়ের মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জনগণ তাদের স্বাধীন মত প্রকাশের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করতে পারবে।
শনিবার যশোর নগর মহিলা দলের ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখা আয়োজিত নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শহরের মোল্লাপাড়া আমতলা মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অধ্যাপক নার্গিস বেগম আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা দীর্ঘ ১৬ বছর জনগণকে ভোটের মাঠে যেতে দেননি। অস্ত্রের মুখে জনগণের ভোট ডাকাতি করে দেশ ও জনগণের সম্পদ লুটপাট করেছে। দেশে এমন ভয়ের সংস্কৃতি চালু হয়েছিল যে, শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে জনগণ মুখ খুলতে পারেনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তারপরও বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা-কর্মীরা জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন থেকে রাজপথ ছেড়ে যাননি। ঘর সংসার সামলে সেই আন্দোলনে মহিলারা শক্তি জুগিয়েছেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের লড়াইয়ের ফলে বিজয় অর্জিত হয়েছে। দীর্ঘ দিনের তাপে উত্তপ্ত আগ্নেয়গিরির লাভা উদগীরণের ফলে শেখ হাসিনা ভেসে গেছেন। এই দেশ সকলের, আমরা সকলে মিলে এই দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাই।

সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণ বিএনপির মুখের পানে চেয়ে আছে। তারা বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছে। দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে মহিলারা গণতন্ত্রের স্বপক্ষের শক্তিকে বিভিন্ন সহযোগিতা করেছে, তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে। বিএনপি মহিলাদের অবদানের কথা বরাবরই স্মরণ করে। তাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীর নতুন বাংলাদেশ গঠনে মহিলাদের সমর্থন চান। সময় পাল্টেছে, নারীদেরকে কথা বলতে হবে। অন্য কোনো রাজনৈতিক দল নারীদেরকে কথা বলার বিষয়ে এমন সুযোগ দেবে না।

নারী নেত্রী অ্যাডভোকেট পার্বতী মল্লিক এই নারী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা মহিলা দলের সভাপতি রাশিদা রহমান, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন, এবং ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সভাপতি মাসুদুল বারী কাক্কু প্রমুখ।