যশোরে ফন্টু চাকলাদারের অবৈধ মার্কেট ভেঙে ফেলা হচ্ছে

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রায় এক যুগ আগে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নির্মিত যশোরের নড়াইল সড়ক সংলগ্ন নীলগঞ্জের সেই অবৈধ মার্কেট ভেঙে ফেলা হচ্ছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের চাচাতো ভাই তৌহিদ চাকলাদার ফন্টু মার্কেটটি নির্মাণ করেছিলেন। ওই জায়গাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের। সম্প্রতি সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়ায় মার্কেট ভেঙে ফেলা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন ব্যবসায়ী জানান, নড়াইল সড়কের পাশে নীলগঞ্জে বিএডিসির বীজ গোডাউনের প্রাচীর নির্মাণের সময় ৪ ফুট ছেড়ে কাজ করা হয়। তাছাড়া ওই প্রাচীরের সামনে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়ক সংলগ্ন কিছু ফাঁকা জায়গা রয়েছে। প্রায় এক যুগ আগে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে থাকাকালীন তার চাচাতো ভাই তৌহিদ চাকলাদার ফন্টু রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেখানে অবৈধ একটি মার্কেট নির্মাণ করেন। মার্কেট নির্মাণের সময় ড্রেনও দখল করে নেওয়া হয়। এ বিষয়টি ব্যাপক আলোচিত হলেও তৌহিদ চাকলাদার ফন্টু জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের চাচাতো ভাই হওয়ায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ ভেঙে ফেলতে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ার পর সম্প্রতি সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে অবৈধ ওই মার্কেট ভেঙে ফেলার জন্য দখলারদের নোটিশ দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে দখলদারদের লোকজন ভেঙে ইট ও লোহার রডসহ সবকিছু নিয়ে যাওয়ার জন্য এক ব্যক্তির কাছে মার্কেট ভবন বিক্রি করে দিয়েছেন। দেড় লাখ টাকায় ওই মার্কেট ভবন বিক্রি হয়েছে বলে প্রচার রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ক্রেতা মার্কেট ভবন ভেঙে মালামাল নিয়ে যাচ্ছেন।
ওই মার্কেটের একটি দোকানঘর ভাড়া নিয়েছিলেন শহরের কাঠেরপুলের হায়দার আলী নামে এক ব্যক্তি। তার প্রতিষ্ঠানের নাম ছিলো এস এস এন্টারপ্রাইজ। তিনি বলেন, ফন্টু চাকলাদারের কাছ থেকে দোকানঘর ভাড়া নিয়েছিলেন। তবে দুই বছর আগে তিনি দোকানঘর ছেড়ে দিয়েছেন।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া জানান, এক সপ্তাহ আগে তারা অবৈধ মার্কেট ভেঙে ফেলার জন্য দখলদারদের নোটিশ করেছিলেন। এ কারণে দখলদারদের লোকজন মার্কেট ভেঙে ফেলছেন।