রাইটস যশোরের মানব পাচার বিরোধী সভা

0

যশোরের জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম বলেছেন, মানব পাচারে দুটি মারাত্মক ক্ষতি হয়। এরমধ্যে যে পাচার হয় তার জীবনাশংকা তৈরি হয়। অন্যদিকে তার পরিবারের ওপর নেমে আসে মারাত্মক ট্রমা। সে কারণে অনেক নারী সারভাইভারকে তার পরিবার ও সমাজ মেনে নিতে পারেনা। এই ট্যাবু থেকে বের হয়ে আসতে হবে। পাচারের শিকার শিশু ও নারীকে মানবিক মর্যাদাসম্পন্নভাবে নিজ নিজ পরিবারে ফিরিয়ে দিতে হবে। তারা যাতে ভালোভাবে জীবন ধারণ করতে পারে সেজন্যে তাদেরকে দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। পৃথিবীতে দক্ষ মানুষের খুব চাহিদা।
সোমবার মানবাধিকার সংগঠন রাইটস যশোর আয়োজিত যৌন শিশু পাচার প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ের অ্যাডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক ওপরোক্ত কথা বলেন। ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও ইকপ্যাট লুক্সেমবার্গের মুক্তি সাউথ এশিয়া প্রকল্পের অধীনে হোটেল ওরিয়নে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক।
রাইটস যশোরের উপপরিচালক (কর্মসূচি) এস এম আজহারুল ইসলামের সঞ্চালনায় অ্যাডভোকেসি সভায় প্রকল্প পরিচিতি তুলে ধরেন পরিচালক (কর্মসূচি) প্রদীপ দত্ত। এতে নেপাল থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুক্তি সাউথ এশিয়ার টিম লিডার ভবানী প্রসাদ দাহাল।
অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার, প্রেসক্লাব যশোরের সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদুর রহমান, জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের উপপরিচালক আনিসুর রহমান, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমার দাস, জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসের সহকারী পরিচালক শাহরিয়ার হাসান, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মুনা আফরিন, যশোর জেনারেল হাসপাতালের অনস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের প্রোগ্রাম অফিসার অমিত শাহরিয়ার, কোর্ট ইন্সপেক্টর রোকসানা পারভীন। আরও উপস্থিত ছিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আব্দুল লতিফ লতা, জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা অফিসার মাহফুজুল হোসেন, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র বালকের তত্ত্বাবধায়ক মঞ্জুরুল ইসলাম ও বালিকার তত্ত্বাবধায়ক শামিমা ইয়াসমিন, প্রবেশন অফিসার আব্দুল ওয়াহাবসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।বিজ্ঞপ্তি।