যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকের দ্বন্দ্বে শিক্ষার মান কমছে

0

চুড়ামনকাটি (যশোর) সংবাদদাতা ॥ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বদ্যিালয় (যবিপ্রবি) স্কুল অ্যান্ড কলেজ নিয়ে অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারন করেছে। একে অপরের বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকের দ্বন্দ্বের কারণে স্কুলের লেখাপড়ার মান কমে গেছে।অভিযোগ রয়েছে, নিজেদের পক্ষে কাজ করতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছেন তারা।
প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের অভিযোগ, ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর বালিকা বিদ্যালয়টিকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত রিজেন্ট বোর্ডের সভায় পাস হয়। স্কুল অ্যান্ড কলেজের জনবলকে কোন অবস্থাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জনবল হিসেবে অর্ন্তভুক্ত করা যাবেনা বলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) হতে পত্রাদেশ থাকলেও যবিপ্রবির অধ্যক্ষ সেটা মানেন না। একাধিকবার স্কুলের জন্যে বরাদ্দ চেয়ে চাহিদা প্রেরণ করলেও ইউজিসি কোন বরাদ্দ দেয়নি। স্কুলটি বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ের একটি বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যবিপ্রবির উপাচার্যের অধীনে গঠিত ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে এটি পরিচালিত হচ্ছে। ম্যানেজিং কমিটি গঠন প্রক্রিয়া ছাড়া অন্যান্য স্কুলের সাথে এর মৌলিক কোন পার্থক্য নেই বলে প্রধান শিক্ষক জানান।অধ্যক্ষের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে নিয়োগপত্র পেলেও যোগদানপত্রে অতিরিক্ত দায়িত্ব উল্লেখ না করে শুরুতেই তিনি প্রতারণার আশ্রয় নেন।
অপরদিকে অধ্যক্ষ ড. মেহেদী হাসান তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ মিথ্যে দাবি করে বলেন, প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করছেন বিভিন্ন দপ্তরে। মূলত প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তাদের বিভিন্ন দুর্নীতি -অনিয়মের সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় তারা নিজেদের দোষ ঢাকতে উল্টো আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। তিনি আরো বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আমি আগেই বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি।
তিনি দাবি করেন,লেখাপড়ার মান উন্নয়নে আমি নিরলসভাবে আমাদের শিক্ষকদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমি স্কুলে বাড়তি দায়িত্ব পালনের জন্যে যে বেতনসহ সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করার কথা সেটাও গ্রহণ করি না।