যশোরে ছাত্রদের বিক্ষোভ সমাবেশে সমন্বয়ক পরিচয়ে ছাত্রলীগ ঢুকে পড়ার অভিযোগ

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ঘটে যাওয়া বিচারবহির্ভুত হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ও পাহাড়ে শান্তি ফেরানোর দাবিতে যশোরে শিক্ষার্থীরা পৃথক প্রতিবাদ কর্মসুচি পালন করেছে। দুটি কর্মসুচি থেকে শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এসময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমন্বয়ক পরিচয়ে ছাত্রলীগ ঢুকে পড়ার অভিযোগ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোরের ব্যানারে শনিবার বিকালে শহরের টাউনহল মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে মাইকপট্টি, চিত্রা মোড় দিয়ে দড়াটানা হয়ে মুজিব সড়কে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে এসে শেষ হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোরের অন্যতম নেতৃত্বদানকরী রাশেদ খান, ইমরান খান, ফাহিম আল ফাত্তাহ, জান্নাতুল ফোয়ারা অন্তরা, ফাইয়াজ আহমেদ, মারুফ হোসেন সুকর্ণ, সাইমা জামান জেবা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী।
এছাড়াও শনিবার বেলা ১১টার দিকে প্রথমে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে মানববন্ধন করে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। সকালে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে যশোর সরকারি এম এম কলেজের শিক্ষার্থী নূর ইসলাম বলেন, আমরা ছাত্র আন্দোলনে যারা রাজপথে ছিলাম, তারা এ দেশকে পুনরায় স্বাধীন করেছি। এই স্বাধীন দেশের সম্মান রক্ষার চেষ্টা করবো সবাই। কেউ যদি সমন্বয়কের পরিচয়ে অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে তাকে ধরে বেঁধে ফেলে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার আহবান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি, যশোরে যারা সমন্বয়ক নাম নিয়ে কাজ করছে, তাদের কয়েকজন ছাত্রলীগের কর্মী। এরা যশোর জেলায় বৈষম্যবিরোধী একটা লীগ তৈরির চেষ্টা করছে। এরা বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি এবং অর্থ উপার্জনের একটি উৎস তৈরি করে নিয়েছে। কোনও সন্ত্রাসী বাংলাদেশের কোথাও স্থান পাবে না।
মৌসুমী খাতুন নামে অপর শিক্ষার্থী বলেন, ঢাবির ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে জালাল নামে একজন ছাত্রলীগের নেতা বলে আমরা জানতে পেরেছি।
কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন নবীন ইসলাম, সাকিব হোসেন, সাদিক বিল্লাহ, কিরণ আহমেদসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী।