কালীগঞ্জে খেলার মাঠে বালির স্তুপ

0

 

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা॥ তরুণ প্রজন্ম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইন্টারনেটে দিন দিন আসক্ত হয়ে পড়ছে। বর্তমানে অনেকে মাঠে খেলাধুলা করে না বললেই চলে। মোবাইল ফোনে নানা রকম গেম খেলেই পার করে বেশিরভাগ সময়। এই নতুন প্রজন্মকেই খেলার মাঠমুখী করতে বর্তমান সরকার স্কুল পর্যায় থেকে নিয়েছে নানা উদ্যোগ। কিন্তু খেলার মাঠ যখন দখল হয়ে যায় তখন শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীরা খেলবে কোথায়? এমনই প্রশ্ন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার খামারমুন্দিয়া গ্রামের মানুষের।
উপজেলার খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদ্রাসার খেলার মাঠটিতে বালি স্তুপ করে দখল করে রাখা হয়েছে। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকার শিশু কিশোররা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রায়গ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন অপু সম্প্রতি নিজ ইউনিয়নের একটি রাস্তার ঠিকাদারি কাজ ক্রয় করেছেন। ওই রাস্তা নির্মাণে ব্যবহার করা বালি তিনি সংশ্লিষ্ট রাস্তায় না ফেলে রাতের আঁধারে মাদ্রাসার মাঠে স্তুপ করে রেখেছেন। মাদ্রাসাটির পরিচালনা পরিষদের সদস্যগণ এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান বালি রাখার ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন ।

সরেজমিনে দেখা যায়, দৃষ্টিনন্দন নতুন চারতলা ভবনের প্রধান ফটকের সামনে বিশাল বালির স্তুপ করে রাখা হয়েছে। মাদ্রাসা মাঠে বালি নামাতে আসা বালি বোঝাই গাড়ির চাকায় মাঠটির অনেক জায়গার মাটি নিচু হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট রবিউল ইসলাম বলেন, হঠাৎ করে একদিন মাদ্রাসায় গিয়ে দেখি মাঠে বালি। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন অপু বালি রেখেছেন। বালি স্তুপ করে রাখার ব্যাপারে ফোনে রায়গ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন অপু জানান , বৃষ্টির কারণে ২/৩ দিনের জন্যে রেখেছি। দ্রুত সরিয়ে নেব। ঝিনাইদহ জেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমা সামাওয়াত বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ দখলের কোন নিয়ম নেই। ওই প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠে বালি ফেলে কেনো দখল করে রাখা হয়েছে তা খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীও ব্যবস্থা নেব।