ষষ্ঠীতলার ম্যানসেলসহ তিন জন আটক

0

 

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর শহর যুবলীগের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহবায়ক আলোচিত মেহেবুবুর রহমান ম্যানসেলকে ৩ সহযোগীসহ আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে মুজিব সড়ক সংলগ্ন ষষ্ঠীতলার প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়। প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের কর্মকর্তা মুনা আফরিনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আগের দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের জন্যে চাপ সৃষ্টি এবং ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আটকরা হলেন, ষষ্ঠীতলা সুরেন্দ্রনাথ সড়কের ফরহাদুর রহমান আলমাসের ছেলে মেহেবুবুর রহমান ম্যানসেল (৩৫), নাজির শংকরপুরের আলমগীর হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে অভি রহমান (২৫), রেলগেট পশ্চিমপাড়ার নুর ইসলামের ছেলে আসাদুজ্জামান (২৮) ও ষষ্ঠীতলাপাড়ার মো. আনছারের ছেলে মিজান (৩০)।
পুলিশ জানায়, ২০২৩ সালের ৫ মার্চ ম্যানসেল ও তার সহযোগীরা প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে ঢুকে কর্মকর্তা মুনা আফরিনকে মারধর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদান করেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন মুনা আফরিন। এই মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্যে মুনা আফরিনকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন আসামিরা। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুরূপভাবে মুনা আফরিনকে হুমকি দেওয়া হয়। এরপর বুধবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ম্যানসেল ও তার সহযোগীরা প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে ঢুকে মুনা আফরিনকে গালিগালাজ এবং মামলা এফিডেফিট করে দেওয়ার জন্যে চাপ সৃষ্টি করেন। এছাড়া দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তখন মুনা আফরিন বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ওই কেন্দ্রে গিয়ে ম্যানসেলসহ ৪ জনকে হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প ১শ টাকা মূল্যের ১টি এবং ৫০ টাকা মূল্যের ১টি জব্দ করা হয়।
কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, আটক ম্যাসসেলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন মুনা আফরিন। মামলা দায়েরের পর আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে আটক ম্যানসেলের স্বজনরা দাবি করেছেন যে, পূর্বের দায়েরকৃত মামলাটি প্রত্যাহার করে নেবেন এমন আশ্বাস দিয়ে মুনা আফরিনই তাদেরকে তার অফিসে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু উল্টো ম্যানসেলদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে তাদেরকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিয়েছেন মুনা আফরিন।