যশোরে অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ ৬১ জনের নামে পুলিশের আরও একটি মামলা

0

স্টাফ রিপোর্টার॥ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে যশোরে আরও একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। বুধবার নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই নাজমুল হাচান কোতয়ালি থানায় এই মামলা দায়ের করেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় খুলনা বিভাগীয় (ভারপ্রাপ্ত) সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ ৬১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০/১৫০ জনকে ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুজ্জামান মিঠুসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল সকালে যশোর-খুলনা মহাসড়কের চাউলিয়া বসভাট নামক স্থানে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ‘নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের’ জন্য অবস্থান করছিলেন বলে পুলিশের দায়ের করা কথিত ওই নাশকতার মামলায় দাবি করা হয়েছে।
ওই মামলায় আটক অপর তিনজন হলেন, সদর উপজেলা বিএনপির প্রয়াত সভাপতি নুর উন নবীর দুই ছেলে খুরশিদ আলম ও আশিকুল ইসলাম অনি এবং সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের আজিয়ার রহমান।
মামলার আসামিরা হলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় খুলনা বিভাগীয় (ভারপ্রাপ্ত) সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, নগর বিএনপির বর্তমান সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লক চাঁদ, সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মারুফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম, সদর উপজেলার চান্দুটিয়া গ্রামের শফিয়ার রহমান, নারাঙ্গালী গ্রামের ইদ্রিস আলী, জেলা যুবদলের সভাপতি এম তমাল আহমেদ, আড়পাড়া গ্রামের আমিনুর রহমান মধু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিদুর রহমান সাগর, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পি, ঝুমঝুমপুরের জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি নেতা হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, আব্দুস সালাম আজাদ, এস এম মোস্তাফিজুর রহমান কবির, এ কে শরফুদ্দৌলা ছটলু, গোপালপুর গ্রামের জালাল উদ্দিন বিশ্বাস, আনসার আলী দফাদার, আব্দুল আজিজ, বিল্লাল হোসেন, ইকবাল হোসেন বিশ্বাস, ফিরোজ হোসেন, রুবেল হোসেন, বাবু হোসেন, ইমামুল ইসলাম তুহিন, হারুন বিশ্বাস, শামসুর মোল্লা, চাউলিয়া গ্রামের সেহেল রানা, গোলাম রসুল বিশ্বাস, রকিবুল ইসলাম ওরফে জিএম রকিব, নরেন্দ্রপুর গ্রামের মাওলানা আক্তার হোসেন, আজিম হোসেন মিন্টু, আরিফুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, আতিয়ার রহমান দফাদার, মকুল দফাদার, হাটবিলা গ্রামের লিটন হোসেন, মকবুল হোসেন মোল্লা, শেখ কামাল, ওবাদুল শেখ মুন্না, রূপদিয়ার শরিফুল ইসলাম খান, ইমরান খান, পলাশ খান, জিরাট বিশ্বাসপাড়ার শাহিন, কচুয়ার ইকরাম হোসেন, আজমত শরিফ, মুন্সেফপুর গ্রামের রেজা খান, কচুয়া ঘোপ গ্রামের বিল্লাল হোসেন, জিল্লুর রহমান ও মথুরাপুর গ্রামের রনি ইসলাম।
অপরদিকে গত মঙ্গলবার কোতয়ালী থানায় দায়েরকৃত কথিত নাশকতার মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় খুলনা বিভাগীয় (ভারপ্রাপ্ত) সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ ৭০ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০/১৫০ জনকে আসামি করে পুলিশ। এই মামলায় ২৬ জনকে আটক করে গত মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব,মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহিদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান জহির ও বিএনপি নেতা মফিকুল হাসান তৃপ্তি।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ২৩ নেতাকর্মীকে আটক করেছে।