পোষ্য কোটায় শর্ত শিথিলের দাবিতে ইবিতে কর্মবিরতি

0

ইবি সংবাদদাতা ॥ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে পোষ্য কোটার ক্ষেত্রে শর্ত শিথিলের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কর্মকর্তারা। শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করেন তারা। এছাড়াও ক্যাম্পাস হতে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহে শিক্ষক বহনকারী বাসগুলো আধঘন্টা দেরিতে ছেড়ে যায়। এর আগে গত ২৬ জুলাই একই দাবিতে কর্মবিরতি করেন তারা। দাবি না মানলে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কর্মকর্তারা।
আন্দোলনকারী কর্মকর্তারা জানান, ভর্তি পরীক্ষায় ৩০ নম্বর পেলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারেন, পোষ্য কোটার ক্ষেত্রেও একই শর্ত রাখা হয়েছে। তাহলে কোটাধারীদের কী সুবিধা দেওয়া হলো। পোষ্য কোটাধারী হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম যোগ্যতায় ভর্তি নিলে কোনও ক্ষতি হবে না।
তথ্য মতে, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ন্যূনতম ৩০ নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। এতে পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর (৩০) প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী, নৃ-গোষ্ঠী, উপজাতি, হরিজন দলিত জনগোষ্ঠী, খেলোয়াড় এবং পোষ্য কোটার শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শর্তপূরণ সাপেক্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। যার ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কারণ পোষ্য কোটা থাকা সত্ত্বেও শর্তপূরণ না করতে পারায় তাদের সন্তানরা বিশেষ সুবিধায় ভর্তি হতে পারছেন না।
কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি এটিএম এমদাদুল আলম বলেন, ‘পেয়ে আসা অধিকার, পোষ্য কোটাসহ বিশ্ববিদ্যালয় সকল অনিয়ম, দুর্নীতির বিচার ও আইন সবার জন্য সমান। সেটা বিবেচনায় রেখে প্রশাসন পরিচালনা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ভাইস চ্যান্সেলর ও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছি। কিন্তু আল্টিমেটলি আমরা কোনও ফল পাচ্ছি না। দুর্নীতি ও গতিহীনতার ভেতরে প্রশাসন পরিচালিত হচ্ছে। অনেক দুর্নীতির অডিও ফাঁসের পরও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছেন না-এতে আমরা সকলে হতবাক হয়েছি। আমরা সকলে একত্র হয়ে সমস্ত কিছুর বিচার চাচ্ছি।’