যশোরে কায়েতখালী বাঁওড়ে রহিমকে হত্যার অভিযোগে মামলা, আটক ১

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর সদর উপজেলার আড়পাড়ায় আব্দুর রহিম লস্করকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগে ১২ জনকে আসামি করে রোববার (৯ জুলাই) কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন স্ত্রী শুকুরোন নেছা। পুলিশ এই মামলার এজাহারভুক্ত একজন আসামিকে আটক করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি থানা পুলিশের ইনসপেক্টর (তদন্ত) এ কে এম সফিকুল আলম চৌধুরী।
নিহতের ভাইপো আহাদ আলী অভিযোগ করেন, তার চাচা আব্দুর রহিম লস্করকে খুন করেছেন প্রতিপক্ষ লোকজন। কায়েতখালী বাঁওড়ের জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তার চাচাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার চাচি শুকরোন নেছা ১২ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন কায়েতখালী গ্রামের শহিদুলের ছেলে সুমন এবং একই গ্রামের হাবিল ওরফে বার্মিজ, আনোয়ার, সাইফুল, মামুন, মুছা, হাসানুজ্জামান, রাসেল, শেখহাটি এলাকার নুর ইসলাম ওরফে আলো, ছোটবালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আইয়ুব আলী, হাশিমপুর বাজার এলাকার মাসুম ও ইছালী গ্রামের রাসেল। এর মধ্যে সুমনকে পুলিশ আটক করেছে।
উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই রাতে সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ছোটবালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে আব্দুর রহিম লস্কর এবং একই গ্রামের বাবু খাঁ ও ইসরাইল আড়পাড়া সংলগ্ন কায়েতখালী বাঁওড়ে মাছ ধরতে যান। কিন্তু রাতে আব্দুর রহিম লস্কর আর বাড়ি ফিরে আসেননি। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আড়পাড়ায় জনৈক আবু বক্কারের মাছের ঘেরের পাশে তার লাশ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন, রাত ৩টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন আড়পাড়ার আবু বক্কারের মাছের ঘেরের পাশে আব্দুর রহিম লস্কর এবং তার সঙ্গী ইসরাইল ও বাবু খাঁকে দেখতে পেয়ে ধাওয়া করেন। ধাওয়া খেয়ে ইসরাইল ও বাবু খাঁ পালিয়ে বাড়ি চলে আসেন । কিন্তু পালাতে না পারায় প্রতিপক্ষের লোকজন আব্দুর রহিম লস্করকে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করেন বলে স্বজনদের অভিযোগ।