রামপালে জমেনি হাট প্রস্তুত প্রায় ৬ হাজার পশু

0

 

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ॥ রামপালে নানা কারণে জমে উঠেনি পশুর হাট। মোবাইল ফেসবুকে ছবিসহ কুরবানির পশুর বিজ্ঞাপন প্রচার হওয়া, বাড়িতে গিয়ে পশু কেনাকাটা করার সুবিধা, হাট বাজারে ইজারাদারদের অতিরিক্ত দৌরাত্ম ও বাজারে আনান পশুর দাম বেশি চাওয়ার কারণে এবার অনেকটা ক্রেতা শূন্য পশুর হাট-বাজার। তবে উপজেলায় এবার চাহিদার চেয়ে পশুর সংখ্যা বেশি।
জানাগেছে, রামপাল উপজেলার বড় পশুর হাট ফয়লাহাট। এ ছাড়াও উপজেলার গিলাতলাসহ কিছু কিছু বাজারে সীমিত আকারে কিছু পশু বেচাকেনা হয়ে থাকে। ফায়লাহাট ঘুরে ক্রেতা ও ইজারাদারদের সাথে কথা বলে নানাবিধ সমস্যার কথা জানা যায়। তারা জানান, এ বছর হাটের ডাক বেশি। ক্রেতা উপস্থিতি মোটামুটি থাকলেও সেই তুলনায় বেচা বিক্রি খুবই কম। আর একদিন পরই কুরবানী। শেষ দিনে হয়তো কিছু পশু কেনাকাটা হতে পারে বলে আশা করেছেন ফয়লাহাট বণিক সমিতির সভাপতি হাওলাদার আব্দুস সালাম। ক্রেতারা জানান, হাটে পশুর দামের সাথে ইজারাদারদের শুল্কের সমন্বয় নেই। অধিক শুল্কের কারণে এবার বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মানুষ পশুর দরদাম করে পশু কিনছেন। এতে সময় ও দামে সাশ্রয় হচ্ছে। আবার অনেকেই দাবি করেছেন, পশুর দাম বেশি হাকা হচ্ছে।
রামপাল সদরের পশু খামারি সজীব অধিকারী জানান, এ বছর হঠাৎ করে পশু খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এক একটি পশু প্রস্তুত করতে অনেক খরচ পড়ে গেছে। সেই তুলনায় দাম পাচ্ছেন না।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহিদুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এ বছর রামপালে কুরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৪ হাজার ৮২৫ টি। প্রস্তুত রয়েছে ৫ হাজার ৭২০ টি। এর মধ্যে ষাড় ১ হাজার ৭৫৬ টি। বলদ ৪৫২ টি। মহিষ ২১১ টি। ছাগল ১ হাজার ৭৬৮ টি ও ভেড়া ৪৭৮ টি। ক্রেতাদের সুবিধার্থে হাট বাজারগুলোতে ৩ টি মেডিকেল টিম পর্যায়ক্রমে কাজ করছেন।