শার্শার ইউপি মেম্বার বাবলু হত্যা মামলা আটক আসানুরের আদালতে স্বীকারোক্তি

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআচাঁড়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার চাঞ্চল্যকর আশানুর জামান বাবলু হত্যা মামলার আসামি আসানুর রহমানকে পুলিশ সোমবার আদালতে সোপর্দ করলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পলাশ কুমার দালাল তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এছাড়া আটক মামলার প্রধান আসামি আব্দুল হাকিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আদালতে রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের এসআই শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, র‌্যাব সদস্যরা মেম্বার বাবলু হত্যা মামলার দুই আসামি আব্দুল হাকিম ও আসানুর রহমানকে গত রোববার সকালে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ললিতাবাড়ি এলাকা থেকে আটক করেন। পরে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে সংস্থাটি। এরপর আটক দুই আসামিকে সোমবার যশোরে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ সময় আটকদ্বয়ের মধ্যে আসানুর রহমান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এদিকে অপর আসামি আব্দুল হাকিমকে হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে আদালতে তার ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, আসানুর রহমানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ওই আসামি এক সময় মেম্বার বাবলুর সাথে চলাফেরা করতেন। নানা কারণে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হলে আসানুর রহমান তার সঙ্গ ত্যাগ করেন। অপর আসামিদের সাথেও নানা কারণে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় মেম্বার বাবলুর। এসব নিয়ে সৃষ্ট পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মেম্বার বাবলুকে কুপিয়ে ও বোমা হামলা চালিয়ে হত্যা করেন আসামিরা। পুলিশ আরও জানায়, স্থানীয় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় মেম্বার বাবলুকে কুপিয়ে হত্যা ও বোমা হামলার দৃশ্য ধরা পড়েছে। এই ফুটেজ এখন পুলিশের হাতে রয়েছে।
উল্লেখ্য, পূর্ব শত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ২১ জুন বালুন্ডা বাজারে ইউপি মেম্বার আশানুর জামানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে তার প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় নিহতের পিতা রাহাজান আলী মোল্লা ২২ জুন বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা করেন।