শার্শায় ভাঙচুর লুট ও মারধরের অভিযোগে আদালতে ১৯ জনের নামে মামলা

শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা ॥ শার্শা উপজেলায় হামলা,লুট,ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগে থানায় মীমাংসার নামে বিচার না পেয়ে ১৯ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেছেন বাদী। অভিযোগে জানা গেছে, গত ২৮ জুলাই রাতে উপজেলার বালুন্ডা গ্রামের ৯২ বছরের বৃদ্ধ জয়নাল আবেদীনের বাড়িতে হামলা করে প্রতিপক্ষ আসামিরা। তারা টাকা, স্বর্ণালঙ্কার লুট ও নির্মাণাধীন বাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় তারা পিটিয়ে আহত করে জয়নুল আবেদীনের স্ত্রী ও দুই মেয়েকে।
২৯ জুলাই জয়নাল আবেদীনের মেয়ে আসমা খাতুন হামলার ঘটনার বিচার চেয়ে ১৯ জনকে আসামি করে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি অভিযোগ দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বেনাপোল পোর্ট থানা বাদী ও বিবাদীকে থানায় হাজির করে। বাদীর অভিযোগ পুলিশ আসামি পক্ষ নিয়ে বিচার করতে গেলে বিচার না পেয়ে তারা থানা থেকে বাড়িতে ফিরে যান। এরপর বাদী আসমা খাতুন সুবিচার পাওয়ার জন্য জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগ দেন।
অভিযোগে জানা গেছে, বৃদ্ধ জয়নাল আবেদীন স্ত্রী ও তিন মেয়ে নিয়ে উপজেলার বালুন্ডা গ্রামে বসবাস করেন। তাঁর দুই ছেলে বিদেশে থাকেন। এই সুযোগে গ্রামের প্রতিপক্ষ কেয়াম উদ্দিন ও আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে ২৮ জুলাই রাতে গোলাম মোস্তফা, আব্দুল হাকিম, হাদিউজ্জামান, সাইফুল ইসলাম, নুরুজ্জামান, মফিজুর রহমান, তরিকুল ইসলাম কালু, রাকিবুল হোসেন বুড়ো, আক্তারুজ্জামান, মনিরুজ্জামান, আশরাফুল, ইমরান হোসেন, নয়ন হোসেন, আব্দুল গফুর, আব্দুল মজিদসহ আরও ১০/১৫ জন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে জয়নাল আবেদীনের বাড়িতে হামলা করে। হামলাকারীরা দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে স্ত্রী ও ২মেয়ে আসমা খাতুন ও সেলিন খাতুনকে মারধর করে। এ সময় আসবাবপত্র ভাঙচুর করে ১লাখ ৩২ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। আসামিরা লুট করে যাবার সময় জয়নুল আবেদীনের নতুন ঘর ও প্রাচীর ভেঙে দেয়। এ ব্যাপারে আসমা বেগম যশোরে আদালতে ১৯জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। আদালতের নির্দেশে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা হয়েছে। বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন খান জানান, এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। যা তদন্ত করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ভাগ