ভাইরাস : বহুদূর এ পথচলা

ড. গাজী মো: আহসানুল কবীর॥ একটি মুভি একটি বৈশ্বিক মহাদুর্যোগের পূর্বাভাস দিতে পারে- এটি কি কল্পনা করা যায়? হ্যাঁ, তাই হয়েছে। বর্তমানে দেড় বছর ধরে যে মহামারী করোনাভাইরাস সারা পৃথিবীকেই তছনছ করে চলেছে, তার পূর্বাভাস ছিল এক দশক আগে তৈরি একটি হলিউড চলচ্চিত্রে। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তিপ্রাপ্ত মুভিটির নাম ঈড়হঃধমরড়হ. এ প্রজন্মের একজন জনপ্রিয় ও বিশ্বখ্যাত পরিচালক স্টিভেন সোডারবার্গ ছবিটি পরিচালনা করেছেন। চীনের উহানে ২০১৯-এর ডিসেম্বরে কোভিড শুরুর বহু আগে আমার ছেলের কাছে আমি ছবিটির কাহিনী শুনি। শুনে আমার কাছে তখন একে একটি নিছক কল্পকাহিনী বলেই মনে হয়েছিল। মুভি মুক্তি পাওয়ার দীর্ঘ ১০ বছর পর সেটিই যখন বিষাদঘন বাস্তবতায় রূপ নিয়ে এ মুহূর্তে বিশ্বময় পুরো মানবজাতিকে লণ্ডভণ্ড করে দিচ্ছে, তখন ভাবি, কী সুদূরপ্রসারী চিন্তাশক্তি পরিচালক ভদ্রলোকের। স্রষ্টার দেয়া অসাধারণ এক মেধা।
চলচ্চিত্রটির কল্পিত কাহিনী ছিল এমন : যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার এক ব্যবসায়ী ভদ্রমহিলা বেথ ইমহফ হংকং-ম্যাকাওতে এক ব্যবসায়িক সফর শেষ করে দেশে ফেরার দুই দিন পরই অসুস্থ হয়ে পড়লেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। হাসপাতালে শনাক্ত হয় তিনি এক অজানা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বিষয়টি জানানো হলো টঝঅ ঈবহঃৎব ভড়ৎ উরংবধংব ঈড়হঃৎড়ষ ধহফ চৎবাবহঃরড়হ (ঈউঈ)-এ। ঘটনা তদন্ত ও ব্যবস্থা নিতে সেখান থেকে ডা: ইরিন মেয়ার্স নামে এক ঊঢ়রফবসরপ ওহঃবষষরমবহপব ঝবৎারপব অফিসারকে ঘটনাস্থল ম্যানিপোলিসে পাঠানো হলো। তিনি সেখানে পৌঁছে মৃত রোগীর সংস্পর্শে আসা সবাইকে চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টিনে পাঠান এবং স্থানীয় প্রশাসনকে দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ব্যাপক প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের ব্যবস্থা করেন। তার ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় সব কাজ ঠিকমতো চললেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি নিজেই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন। মুভিতে দেখা যায়, এত ব্যবস্থা গ্রহণ সত্তে¡¡ও নতুন এ ভাইরাসজনিত চধহফবসরপ গঊঠ-১ অতিদ্রæত বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ২৫ লাখসহ বিশ্বব্যাপী দুই কোটি ৬০ লাখ (২৬ মিলিয়ন) লোক মারা যায়।
ছবির ফ্ল্যাশ ব্যাকে দেখানো হয়, ব্যবসায়ী বেথ ইমহফ যখন হংকংয়ে সফরে ছিলেন তখন কাজের সুবিধার জন্য ম্যাকাওতে তারই মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন কিছু গাছ কেটে পরিষ্কার করা হয়। ওই গাছের কয়েকটি বাদুড় পাশের একটি ক্যাসিনোর শূকরশালার গাছে আশ্রয় নেয়। গাছে বসে কলা খেতে খেতে ভাইরাস সংক্রমিত একটি বাদুড় কলার একটি খোসা নিচে ফেলে দেয়। একটি শূকর শাবক (চরম) সেটি খেয়ে নেয়। ঘটনাক্রমে সে দিন ওই শূকরটিই কেটে তার মাংস দিয়ে খাবার তৈরি করেন ক্যাসিনোর শেফ। সে সময় ক্যাসিনোতে খেতে আসেন ব্যবসায়ী বেথ ইমহফ। হাত না ধুয়েই ব্যবসায়ী বেথকে অভ্যর্থনা জানিয়ে হাত মেলান শেফ। আর এতেই বেথ ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে পড়েন।
মুভির ফ্লাশ ব্যাকে আরো দেখানো হয়, ভাইরাসটি নিয়ে বিজ্ঞানীরা অতিদ্রুত গবেষণা শুরু করেন। সিডিসির কর্তাব্যক্তি ডা: এলি হেকস্টেলের নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডা: ইয়ান সাসম্যানের সহযোগিতায় উদঘাটন করেন যে, ভাইরাসটি শূকর শাবক ও বাদুড়ের জেনেটিক ভাইরাসের সমন্বয়ে গঠিত এবং মুখ ও নাক দিয়ে নির্গত ড্রপলেটেরর মাধ্যমে এটি ছড়ায়। ডা: সাসম্যান রোগীদেহ থেকে সংগৃহীত স্যাম্পল নিয়ে তার ল্যাবে ভাইরাসটির সেল কালচার তৈরি করেন। ডা: হেকস্টেল সে কালচার ব্যবহার করে দ্রুত ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করে ফেলেন। সফলভাবে ভ্যাকসিন প্রয়োগে বিশ্বব্যাপী রোগের সংক্রমণ কমে আসতে লাগল। এ সাফল্যের সুযোগে কিছু প্রতারণার ঘটনাও ঘটতে দেখা গেল। এলান ক্রমওয়েড নামে এক ব্যক্তির হোমিও চিকিৎসার প্রতারণার ফাঁদে পা দিয়ে বহু মানুষ প্রতারিত হলে ওই ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করে ব্যবস্থা নেয়।
প্রিয় পাঠক, কী মনে হলো? আমাদের বর্তমান বাস্তব বৈশ্বিক মহাদুর্যোগ কোভিড-১৯ এর দেড় বছরের ঘটনাপ্রবাহ কি ১০ বছর আগেকার মুভিটির প্রেক্ষাপটের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায় না? কিভাবে এ ধরনের সংক্রমণ ছড়ায়, কী হারে মৃত্যু ঘটে এবং কিভাবে এর প্রতিরোধ বা সুরক্ষা ব্যবস্থা নিতে হবে, তার এক চমৎকার উপস্থাপনা ও নির্দেশনা রয়েছে মুভিটিতে। এ কারণেই বিখ্যাত ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞ পল অফিট এ ছবির প্রশংসায় বলেছেন, মুভিটিতে গতানুগতিক ড্রামার চেয়ে মানব কল্যাণে বিজ্ঞানের বিষয়টিকে চমৎকার ও সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিদায়ী ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হেনকক বলেছেন, এ ছবির পটভ‚মিই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জাতীয় স্বার্থে আমাদের পরামর্শক কমিটির সিদ্ধান্তের চেয়েও বেশি পরিমাণ ভ্যাকসিন সংগ্রহে আমাদের সরকারকে উৎসাহিত করেছিল।
তবে ডব্লিউএইচও ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এক পর্যবেক্ষণে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে বলেছে, আত্মতৃপ্তির কোনো সুযোগ নেই। হয়তো বর্তমান কোভিড-১৯-ই সর্বশেষ ও বৃহত্তম বৈশ্বিক মহামারী নয়। হতে পারে আরো বড় কোনো দুর্যোগের এটি শুরু। মানুষ যেভাবে প্রাকৃতিক বায়োবৈচিত্র্য নষ্ট করছে তাতে পৃথিবীর জমাকৃত তুষার স্তর যদি উন্মুক্ত হয়, তবে সেখানে চাপা পড়ে থাকা আট লাখ ৫০ হাজার ধরন ভাইরাসের অনেকগুলোই বেরিয়ে আসবে। তাই সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। অতীত ইতিহাস থেকে তেমন ইঙ্গিত কিন্তু একাধিকবার পাওয়া গেছে। নিয়মিত বিরতিতে এ ধরনের মহাদুর্যোগ পৃথিবীতে বারবার এসেছে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক গ্রিক কিংবদন্তি হিপোক্রিটাস কর্তৃক খ্রিষ্টপূর্ব ৪১২ অব্দে ভাইরাসজনিত ফ্লু আবিষ্কারের পর বিভিন্নরূপে প্রায়ই এটি পৃথিবীতে হানা মেরেছে। ঠিক এক শ’ বছর আগে প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে ১৯১৮ সালে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া ‘স্প্যানিশ ফ্লু’ মাত্র ১৮ মাস সময়ের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০ কোটি (৫০০ মিলিয়ন) মানুষকে আক্রান্ত করেছিল। প্রাণ গিয়েছিল ১০ কোটি মানুষের (ভারতে প্রায় দুই কোটি, যুক্তরাষ্ট্রে সাত লাখ, যুক্তরাজ্যে দুই লাখ)। এরপর প্রতি ৩০-৪০ বছর পরপর পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন নামের ভাইরাস ফ্লুয়ের নিয়মিত সংক্রমণ ঘটছেই। ১৯৫৭-৫৮ সাথে ঐ২ঘ২ ভাইরাসজনিত ‘এশিয়া ফ্লু’ চীনে ২০ লাখ মানুষের, ১৯৬৮-৭২ সালে ঐ৩ঘ২ ভাইরাস ২০ লাখ হংকংবাসীর এবং ২০০৯-১০ এ ঐ১ঘ১ ভাইরাসজনিত ‘সোয়াইন ফ্লু’ তে আক্রান্ত হয়ে ৫ লাখ মেক্সিকানের প্রাণহানি ঘটে। অবশ্য এর আগে ১৫ শতাব্দী থেকে প্রায় প্রতি ১০-৩০ বছর অন্তর ফ্লু-প্যানডোমিকের সংক্রমণ একটি নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‘ফ্লু’ ছাড়াও আর একধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ ‘প্লেগ’ পৃথিবী সৃষ্টির শুরু থেকেই মানব সভ্যতার জন্য এক বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। সবচেয়ে মারাত্মক হলো- ‘ইষধপশ উবধঃয’নামক ভয়ঙ্কর প্লেগ, যা ১৪ শতকে (১৩৩১-৫৩) পৃথিবীর তখনকার ৫০ কোটি মানুষের মধ্যে ২০ কোটি অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীর প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। এমনকি ১৮ শতকে এ রোগে লন্ডনের ২০ শতাংশ মানুষ প্রাণ হারায়। আর শুধু ১৮৫৪ সালেই চীন-ভারতে প্রায় এক কোটি লোক প্লেগ আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
একসময় পৃথিবীর বিভিন্ন জনপদে আতঙ্কের এক নাম ছিল ভাইরাসজনিত রোগ ‘কলেরা’ ও ‘বসন্ত’। আমাদের ছোটবেলায় ১৯৫০-এর দশকে দেখেছি কোথাও কলেরা ওলাওঠা দেখা দিলে গ্রামকে গ্রাম মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে দূরে কোনো আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিত। ১৯৭৯ সালে উচ্ছেদ হয়ে যাওয়ায় এ মুহূর্তে আমরা ভুলে গেলেও হাজার বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর মানুষের কাছে এক আতঙ্কের নাম ছিল ‘বসন্ত’। আঠারো শতকের শেষার্ধে ‘ঠধৎরড়ষধ ারৎঁং’-এর সংক্রমণে ইউরোপে প্রতি বছর গড়ে চার লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। এমনকি এ সময় ইউরোপীয় বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় বাহিত হয়ে এ রোগে প্রায় ৫০ শতাংশ সংক্রমিত অস্ট্রেলীয় আদিবাসী এবং এক-তৃতীয়াংশ ফিজিবাসী নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। একইভাবে ইউরোপীয়রা আমেরিকায়ও এ রোগ এত ছড়িয়েছিল যে, প্রায় ৯৫ শতাংশ আমেরিকান আদিবাসী ও দেড় লাখ হাওয়াইবাসী বসন্ত রোগে মারা যায়। বিংশ শতাব্দীতে এর সংক্রমণ এত ভয়াবহ হয়েছিল যে, বিশ্বব্যাপী ৩০-৫০ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়। ১৯৫০-এর দশকে প্রায় প্রতি বছর পৃথিবীতে পাঁচ কোটি করে মানুষ আক্রান্ত হতে থাকে। তখন মানুষের সব প্রচেষ্টা বসন্তের প্রতিষেধক আবিষ্কারে নিয়োজিত হলে সাফল্য আসে। এর ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়। ব্যাপক প্রয়োগ চলে। যুক্তরাজ্য ও স্পেন তাদের উপনিবেশীয় দেশগুলোয় গণহারে মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়। ১৯৭৯ সালে পৃথিবীর বুক থেকে বসন্ত নির্মূলের আন্তর্জাতিক ঘোষণা দেয়া হয়। এর ফলে মৃত্যুহার এতই কমে যায় যে, পৃথিবীর জনসংখ্যা ১৯০০ সালে ১৬০ কোটি থেকে ২০১১ সালে ৬৮০ কোটিতে বৃদ্ধি পায়, যা এখন প্রায় সাড়ে সাত শ’ কোটি। বসন্তকে হয়তো আমরা খুব গুরুত্ব দিয়ে এর বিরুদ্ধে লড়েছিলাম। তবে এর পাশাপাশি হামও কিন্তু মানবজাতির কম ক্ষতি করেনি।
আমরা হয়তো ভুলেই গেছি আর এক ভাইরাসজনিত রোগ ম্যালেরিয়ার কথা। গত শতাব্দীর প্রথম দিকেও প্রতি বছর পৃথিবীর ৩৫ থেকে ৫০ কোটি লোক ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হতো। ম্যালেরিয়ার মতো ইয়েলো ফিভার এবং টাইফাস বা ক্যাম্প ফিভারও মারাত্মক মারণব্যাধি। ভাইরাসজনিত অন্যান্য রোগ ঞই, খবঢ়ৎড়ংু, ঝুঢ়যরষরং কোনোটাই মানবজাতিকে কম ভোগায়নি।
এসবের ধারাবাহিকতায় আজ দেড় বছর ধরে কোভিড-১৯ এর তাণ্ডবে বিশ্ব লণ্ডভণ্ড। এর পথপরিক্রমা আর কতদূর, এ মুহূর্তে বোধহয় নিশ্চিতভাবে কেউই তা বলতে পারছে না। এর মধ্যে যদিও বলা হচ্ছে, ১৯ কোটি মানুষ আক্রান্ত এবং ৪০ লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, কিন্তু জনান্তিকে বলাবলি চলছে, এ সংখ্যা অনেক অনেক বেশি। আক্রান্তের সংখ্যা হয়তো প্রচারিত সংখ্যার প্রায় তিনগুণ অর্থাৎ ৫০ কোটি এবং মৃত্যু কমপক্ষে এক কোটি। কারণ অনেকেরই উপসর্গ নেই, অনেকেই গোপন করছেন আর টেস্ট তো বলার অপেক্ষা রাখে না যে, প্রয়োজনের চেয়ে ১০ ভাগের ১ ভাগও হচ্ছে না অন্তত এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে। তা হলে কী হবে? আমাদের জানা নেই। অনুমানও করতে চাচ্ছি না। শুধু ভয় পাচ্ছি- যেহারে মানুষ বেকার হবে, দারিদ্র্যসীমার নিচে যাবে, অনাহারে ভুগবে তাতে যে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হবে আমাদের মতো দেশগুলোর সরকারগুলো কি তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে?
অনেকেই ভাবছেন গণহারে ভ্যাকসিন দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। আল্লাহ তাই করুন, তবে সেখানেও আমার ভয়। হাজার রকমের ভাইরাস হাজার হাজার বছর ধরে শুধু একটির পর একটি জনপদ আর সভ্যতা ধ্বংস করে চলেছে। নমরুদ-ফিরাউন আর আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের মতো শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঠিক আগ মুহূর্তে বোধোদয় হলে তো চলবে না। সময় থাকতে স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণই মানবজাতির জন্য আত্মরক্ষার একমাত্র উপায়।
লেখক : সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ

ভাগ