সাতক্ষীরা সংবাদদাতা॥ নদীর চরে মাথায় রক্তাক্ত জখম ও মুখমণ্ডল থেতলে যাওয়া অবস্থায় নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল সদ্যজাত এক মানবসন্তান। সকালে স্থানীয়দের চোখে যখন পড়ে তাকে দ্রুত নেয়া হয় হাসপাতালে। পাঁচ ঘণ্টা পর মৃত্যু হয় তার। আঘাত দেখে ধারণা করা হচ্ছে নদীর উপর ব্রিজ থেকে ছুড়ে ফেলা হয় তাকে।
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্যা গুনকরকাটি ব্রিজ এলাকার ঘটনা এটি। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নবজাতকটিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে মারা যায় শিশুটি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে ব্রিজের নিচে নদীর চরে এক নবজাতককে পড়ে দেখতে পায় পথচারীরা। ব্রিজের ওপর থেকে নবজাতকটিকে কে বা কারা ফেলে দিয়েছে বলে জানান তারা। যে বা যারা ফেলে দিয়েছিলেন তারা ভেবেছিলেন সে মারা গেছে। তবে তখন্র শিশুটি জীবিত ছিল। তবে মাথায় গুরুতর জখম হয় শিশুটির। তাৎক্ষণিক ঘটনাটি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জানানো হয়।
কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাসেত আল হারুন রশিদ জানান, ঘটনাটি জানার পরই নবজাতক শিশুটিকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অনেক উঁচু থেকে ফেলে দেয়ায় মাথা ফেটে গুরুতর জখম হয় শিশুটি। তিনি দায়িত্ব নিয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির জানান, শিশুটি বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। খোঁজখবর নিয়ে যারা এই নবজাতকটিকে হত্যা করলো তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ওসি আরো জানান।
এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান মৃত নবজাতককে নিয়ে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করেন।





