১৩ হাসপাতালে শয্যার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি

লোকসমাজ ডেস্ক॥গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ১৬২ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, রোগী শনাক্তের সংখ্যা এভাবে বাড়তে থাকলে মহামারিকালের দ্বিতীয় ঢেউয়ের এপ্রিল মাস এবং সদ্য শেষ হওয়া ভয়ংকর জুনকে ছাড়িয়ে যাবে চলতি জুলাই মাস।
সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতিতে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সাধারণ শয্যার চেয়ে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা বিভাগের রয়েছে করোনা ডেডিকেটেড অন্যতম কুর্মিটোলো জেনারেল হাসপাতাল। এ হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য ২৭৫ সাধারণ শয্যায় ভর্তি রয়েছেন অতিরিক্ত ৫০ জন রোগী।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও দেখা যায়, ঢাকার দুটি বেসরকারি বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও গ্রিনলাইফ হাসপাতালেও শয্যার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি রয়েছে। বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৩৮টি এবং গ্রিনলাইফ হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৮০টি। এ দুই হাসপাতালেও শয্যার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি রয়েছে জানালেও কত অতিরিক্ত রোগী ভর্তি সেটা উল্লেখ করা নেই বিজ্ঞপ্তিতে।
চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ১০৯ শয্যার বিপরীতে অতিরিক্ত ভর্তি আছেন ১০ জন। এ বিভাগেরই ফেনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ শয্যার বিপরীতে অতিরিক্ত পাঁচ জন, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০৬ শয্যার বিপরীতে ভর্তি আছেন অতিরিক্ত ১৫ জন রোগী।
রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের ৭২ শয্যার বিপরীতে অতিরিক্ত ভর্তি আছেন এক জন, বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের ২৪২ শয্যার বিপরীতে অতিরিক্ত ১১ জন, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৪৩৪ শয্যার বিপরীতে অতিরিক্ত ১৬ জন, বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৮০ শয্যার বিপরীতে অতিরিক্ত পাঁচ জন রোগী ভর্তি আছেন।
খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ১৯০ বেডের বিপরীতে ৬৫ জন, মাগুরা সদর হাসপাতালের ৫০ শয্যার বিপরীতে সাত জন অতিরিক্ত রোগী ভর্তি আছেন। আর বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলা সদর হাসপাতালের ৫০ শয্যার বিপরীতে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি আছেন আট জন।

ভাগ