কেশবপুরে লকডাউনে শ্রমজীবী মানুষের দুর্দশা চরমে

স্টাফ রিপোর্টার, কেশবপুর(যশোর)॥ ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা দেওয়ায় শ্রমজীবী মানুষের দুর্দশা বাড়ছে। প্রতিদিন যাদের কাজ করে সংসার চলে তারা পড়েছেন নানাবিধ সমস্যায়। তাদের দুর্দশালাঘবে সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোন ত্রাণ সহায়তা না দেওয়ায় মানুষ আরো অসহায় হয়ে পড়েছে। অবশ্য সম্প্রতি পৌরসভা এলাকার কয়েকটি ওয়ার্ডে সরকারি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হলেও উপজেলার গ্রামে গ্রামে সমস্যা রয়ে যাচ্ছে।
অপর দিকে ভ্যান চালক, ইজি বাইক চালক, মহেন্দ্র চালক, চায়ের দোকান, সেলুন দোকানি, হোটেল কর্মচারিরা বৃহস্পতিবারও কোন সরকারি সহায়তা পাননি। পেটের দায়ে অনেকে ভয়ভীতির তোয়াক্কা না করে গোপনে তাদের কার্যক্রম চালানোর জন্যে চেষ্টা চালিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের জরিমানার মুখে পড়ছে। হোটেল শ্রমিক ফুলন জানান, দীর্ঘ দিন হোটেল শ্রমিক হিসেবে তিনি সংসার পরিচালনা করলেও এ লকডাউনে তিনি বিপাকে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে শহরের হোটেল শ্রমিকরা তালিকা জমা দেওয়ার জন্য গেলে নির্বাহী কর্মকর্তাকে অফিসে না পেয়ে পি আই ও অফিসে একটি তালিকা জমা দিয়েছেন। পাাঁজিয়া ইউনিয়নের ভ্যান চালক আবু মুছা,আল মামুন, তৈনুর হোসেন জানান, পেটের দায়ে ভ্যান নিয়ে বের হলেও যাত্রী না থাকায় তারা বিপাকে পড়ছেন।
সরকারি সহায়তা প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ইতোমধ্যে যারা ৩৩৩ নম্বরে কল করেছেন তাদের সরকারি সহায়তা বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া হোটেল শ্রমিক , চায়ের দোকানি, ভ্যান চালক, ইজি বাইক চালকসহ বিভিন্ন চালক শেণিীর জন্য ৫শ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রতিটি ইউনিয়নে সাড়ে তিন লাখ করে টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, খুব দ্রুত তারা পেয়ে যাবেন।

 

 

ভাগ