লোকসমাজ ডেস্ক॥ করোনাভাইরাস আশংকাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সরকার দেশব্যাপী কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে। আগামী ১ জুলাই থেকে আসছে আরও কঠোর লকডাউন। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাওয়াই মানা। এ অবস্থায় দেশের ঘরোয়া ফুটবলের কী হবে?বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগসহ চলমান ঘরোয়া খেলাগুলো চালিয়ে নিতে দেন দরবার করছে সরকারের সঙ্গে। গত মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগ করোনাভাইরাসের কারণে পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে হয়েছিল। এবার লিগ বন্ধ হলে আবার শুরু সম্ভব কি না সে শঙ্কা ভর করেছে বাফুফে ও ক্লাবগুলোর মধ্যে।
সামনে কুরবানির ঈদ। আছে এএফসি কাপের খেলা এবং ফিফা উইন্ডো। কয়েকদিন আগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপির কাছে বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আগস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে লিগ শেষ করে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ছেড়ে দেবেন মাঠ সংস্কারের জন্য।
এখন লিগ চালিয়ে নিতে না পারলে, আগস্টের প্রথম সপ্তাহে কোনোভাবেই লিগ শেষ করা সম্ভব হবে না বাফুফের পক্ষে। যে কারণে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে লিগ চালিয়ে যাওয়ার জন্য বাফুফে কর্মকর্তাদের এই দৌড়ঝাপ। তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন যাতে খেলা চালিয়ে নেয়া যায়।
বাফুফের অধীনে এখন চলছে চারটি লিগ। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, নারী প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ, বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ ও তৃতীয় বিভাগ সুপার লিগ। প্রত্যেকটি লিগই বাফুফে আয়োজন করছে সরকারের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে। এই বিধিগুলো আরও কঠোরভাবে পালনের শর্তে বাফুফে ঘরোয়া ফুটবল অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ ঘরোয়া ফুটবল চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি পেতে সাক্ষাৎ করেছেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে।
‘আমরা খেলা চালিয়ে যেতে পারব কি না সরকারের সেই সিদ্ধান্ত জানতে বুধবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আমরা আশাবাদী। এখন সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়’- বলেছেন বাফুফে সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ।





