নজরুল চেতনা ও দর্শন নব পথের সন্ধান দিয়েছে : ন্যাপ

লোকসমাজ ডেস্ক॥ আমাদের জাতীয় কবি, জাতীয় প্রেরণার উৎস কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য ও ব্যতিক্রম সৃষ্টি, ধারা ও উজ্জ্বল কর্মপ্রবাহ বাংলা সাহিত্যকে যেমন দিয়েছে সমৃদ্ধ সংযোজন, তেমনি বাঙালি জাতিকে দিয়েছে গভীর প্রণোদনা শক্তি। নজরুল চেতনা ও দর্শন দিয়েছে নব পথের সন্ধান। সোমবার (২৪ মে) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন। তারা বলেন, কাজী নজরুল সাম্রাজ্যবাদের ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তার রচনা ও সৃষ্টিশীল কর্মতৎপরতার মধ্যে বিদেশি শক্তির শোষণ-দুঃশাসন থেকে মুক্তিই ছিলো প্রধান লক্ষ্য। তিনি সাম্রাজ্যবাদের কালো থাবা থেকে মুক্তির জন্য সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। কলম হয়েছিল তার অস্ত্র।
নেতৃদ্বয় বলেন, ইংরেজদের শোষণ-অপশাসন জাতির অবস্থাকে যখন বিপন্ন করে তুলে ছিল। ইংরেজদের মূল লক্ষ্য সমস্ত অর্থ ও সম্পদ লুট এবং নিজ দেশে পাচার করা। তখন ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের বীজ বপন করেন নজরুল। তারা আরও বলেন, নবযুগে (কাজী নজরুল ইসলাম ও রাজনীতিবিদ মুজফ্ফর আহমদের যুগ্ম সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকা) কাজ করার সময় নজরুলের রাজনৈতিক চিন্তার পরিপক্কতা তৈরি হয়। বিস্তার ঘটে রাজনৈতিক চিন্তার। ভারতে কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তিনি মুজফ্ফর আহমদের সঙ্গী হন। আগ্নেয়গিরির উদগীরণের মতো বিস্ফোরিত নজরুলের ‘বিদ্রোহী কবিতা’। তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির’। নেতৃদ্বয় বলেন, ভারতের স্বাধীনতায় যেমন কাজী নজরুল ইসলামের অবদান রয়েছে, তেমনি পরবর্তীকালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে কবি নজরুল হয়েছেন প্রণোদনা শক্তি। দ্রোহের কবি, সাম্যের কবি, সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে, ঔপনিবেশিক শোষণ-শাসনের বিরুদ্ধে জ্বলন্ত প্রতিবাদ কাজী নজরুল ইসলাম।

ভাগ