ইবি সংবাদদাতা॥ অযতœ-অবহেলা, ডাল কাটা, বিভিন্ন পোস্টার আর বিলবোর্ডের পেরেকের ভারে মরতে বসেছে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কৃষ্ণচূড়া গাছটি। প্রকৃতি পালাবদলের এই সময়ে লাল কৃষ্ণচূড়ায় ভিন্ন রূপে হাজির হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট, ক্যালেন্ডার কিংবা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কৃষ্ণচূড়ার দগদগে লাল ফুল সমৃদ্ধ গাছের ছবিটি বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কিন্তু প্রকৃতিতে গাছটি এখন নিষ্প্রাণ। ফুল তো দূরের কথা পাতা পর্যন্ত হয়নি গাছটিতে। গাছটির এমন অবস্থা মেনে নিতে পারছেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গাছটির পূর্বের ছবির সঙ্গে বর্তমান সময়ের চিত্র দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করছেন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, গাছটির নিয়মিত পরিচর্যা করা হতো না। প্রধান ফটকের সামনে হওয়ায় অনেক সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন পেরেক দিয়ে বসানো হতো। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কখনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। এছাড়াও কয়েক দফায় গাছটির ডাল কাটা হয়েছিল। এসব কারণেই গাছটি আজ মরতে বসেছে। যে গাছটির সঙ্গে আমাদের হাজারো স্মৃতি বহমান সেই গাছটির এই অবস্থা দেখে আমরা ব্যথিত- মর্মাহত। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা রোজদার আলী রূপম বলেন, আমি ব্যক্তি উদ্যোগে গাছটির এই অবস্থা দেখে পরিচর্যা করতে শুরু করি। কিন্তু গাছটি বাঁচানো যাবে বলে মনে হয় না। এ বিষয়ে এস্টেট অফিসের পরিচালক সাইফুল ইসলামের সাথে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।





