সাতক্ষীরায় পরকীয়ার বলি আলমগীর : পুলিশের ব্রিফিং

সাতক্ষীরা সংবাদদাতা ॥ সাতক্ষীরার আলোচিত আলমগীর হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটিত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে পরকীয়ার কারণেই হত্যা করা হয় তাকে। শনিবার সাতক্ষীরা সদর থানায় অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন। এ সময় সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজিব খান, সদর সার্কেল শামসুজ্জামান সামস, সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুরহান উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার ভোরে শহরের বচকরা পশ্চিমপাড়ার একটি পুকুর থেকে ওই এলাকার নজরুল ইসলামের পুত্র আলমগীর হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ইসরাফিলকে আটক করা হয়। সে অকপটে হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। ইসরাফিলের বরাত দিলে পুলিশ জানায়, নিহত আলমগীর ও সে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলো। একই এলাকার আব্দুল জলিলের স্ত্রীর সাথে আলমগীরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত বুধবার জলিলের স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে ইসরাফিলের এক আত্মীয়ের বাসায় রেখে আসে আলমগীর। পরের দিনে তাদের ঢাকা বা অন্য কোথায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আলমগীরের কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় সে যেতে পারেনি। আলমগীর ইসরাফিলকে বলে জলিলের স্ত্রীকে আমি নিতে পারছি না, তুই নে। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ইসরাফিল আলমগীরের গলায় বিদ্যুতের তার পেঁচিয়ে হত্যা করে। ইসরাফিলের স্বীকারোক্তি মোতাবেক নিহত আলমগীরের ব্যবহৃত টর্চলাইট উদ্ধার হয়। এদিকে নিহতের মা সুফিয়া খাতুন ওরফে হাজেরা আব্দুস সাত্তারের পুত্র আহসান, ওয়াজেদ আলীর পুত্র বিল্লাল, নজির উদ্দীনের পুত্র জলিল, ও হাফিজুর রহমানের পুত্র ইসরাফিলকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ভাগ