লোকসমাজ ডেস্ক॥নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রীদের মধ্যে সম্ভাবনাময়ী একটি নাম পূজা চেরি। এরইমধ্যে নির্মাতাদের আস্থার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। সর্বশেষ লকডাউনের আগের দিন পর্যন্ত তিনি জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত ‘মাসুদ রানা’র শুটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। চট্টগ্রামে টানা ১৮ দিন শুটিং করেন। সৈকত নাসিরের এ ছবিতে অন্যতম চরিত্র সোহানার ভূমিকায় অভিনয় করছেন অভিনেত্রী। নতুন এই চরিত্রের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন তিনি। এ নায়িকা মানবজমিনকে বলেন, এ ছবিতে অন্য এক পূজাকে পাবেন সবাই। সৈকত নাসির ভাইয়া খুব ভালো নির্মাতা।
তার সঙ্গে আগে কাজ করিনি। তাই চিন্তায় ছিলাম, কী হবে না হবে! মজার ব্যাপার হলো শুটিংয়ে যাওয়ার পর আমাদের এতো ভালো বোঝাপড়া হয়ে যায় মনেই হচ্ছিল না শুটিং করছিলাম। এই সিনেমা ছাড়াও পূজার সরকারি অনুদানে ‘হৃদিতা’ নামের আরেকটি সিনেমার কাজ চলমান ছিল। দুইটি সিনেমায় দুটি ভিন্ন হওয়ায় লুক নিয়ে খানিকটা সমস্যা পড়তে হয় তাকে। তবে সেটিও উতরাতে সক্ষম হন পূজা। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি চাচ্ছিলাম না যে, একটা সিনেমার সঙ্গে আরেকটা সিনেমার লুক এক হয়ে যাক। তখন ইস্পাহানী ভাইকে (‘হৃদিতা’ সিনেমার পরিচালক) বললাম যে, ভাইয়া আমার কালকে বা পরশু দিন মাসুদ রানার শুটিং আছে। আমার চুলটা কালার করবো। লুকটা চেঞ্জ করতে চাই। তিনি বললেন করো। কিন্তু আমার সিনেমায় শুটিংয়ের আগে চুলটা কালো করে ফেলো। তখন বললাম, ঠিক আছে। যখন ‘মাসুদ রানা’র শুটিং শেষ হবে তখন সঙ্গে সঙ্গে চুল কালো করে ফেলবো। পূজা জানান, গান বাদে ‘হৃদিতা’ সিনেমার দৃশ্যধারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। লকডাউনের কারণে আটকে যাওয়া ‘মাসুদ রানা’র শুটিং কবে থেকে শুরু হবে সেটা জানতে চাইলে পূজা বলেন, আমাদের টানা শুটিং হওয়ার কথা ছিল। আর ৩০ ভাগের মতো কাজ বাকি। এরপর ঢাকা বা ইন্দোনেশিয়ায় শুটিং হতে পারে। এদিকে পূজা অভিনীত ‘শান’, ‘জিন’ আর ‘সাইকো’ সিনেমাগুলো মুক্তির অপেক্ষায় আছে।





