খুলনা মহানগর বিএনপি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে স্বাধীন ও বিরোধীমত দমনের কালো কানুনে খুলনা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি, এনটিভির ব্যুরোপ্রধান ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নে সাবেক সভাপতি সিনিয়রসাংবাদিক আবু তৈয়েব মুন্সির বিরুদ্ধে মিথ্যা সাজানো মামলা দায়েরে তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে।গতকাল এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন সরকারি দলের রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধিক্ষমতার অপব্যবহার করে বিতর্কিত ব্যবসায়ীর পার্টনার হিসেবে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শুল্ক ফাঁকির ঘটনা ধামাচাপা দিতে তৈয়ব মুন্সির মতো একজনসিনিয়র সাংবাদিককে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনাখুলনাবাসী ও সাংবাদিক সমাজ কখন মেনে নেবে না।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ তালুকদার আব্দুল খালেককে অবিলম্বে বিতর্কিত ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেনের সাথে তার ব্যবসায়ীক সম্পর্ক ও কাস্টমস শুল্ক ফাঁকি ঘটনা সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যাখুলনা জনগনের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান।নেতৃবৃন্দ উল্লিখিত বিতর্কিত ব্যবসায়ীর সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যাতে বর্তমান সরকারের অবৈধ ক্ষমতা ব্যবহার করে সকল অপকর্ম ধামাচাপা দিতে না পারে তার জন্য দুর্নিতী দমনকমিশনকে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানায়। বিবৃতিতে বিএনপিরনেতৃবৃন্দ বর্তমান অত্যাচারী জালেম সরকার বিগত ১৩ বছরের দুর্নিতী নির্ভয়েসাহসিকতার সাথে জনসম্মুখে তুলে ধরতে জাতির বিবেক সাংবাদিকদের প্রতিআহ্বান জানান।বিবৃতিদাতারা হলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্যনজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধামনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফহোসেন, জাফরউল¬াহ খান সা”চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলেহালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ
ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদহোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব
কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান
মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।





