লোকসমাজ ডেস্ক॥ ইনিংস পরাজয়ের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। শন উইলিয়ামসের ব্যাটিং বীরত্বে ইনিংস পরাজয় এড়ানো গেলেও হার এড়াতে পারেনি তার দল। দ্বিতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছে আফগানিস্তান। অবশ্য সমতায় ফেরাতে মূল ভূমিকা ছিল লেগ স্পিনার রশিদ খানের। দুই ইনিংসে ৯৯.২ ওভার বোলিং করে ১১ উইকেট নিয়েছেন। আর তাতে মাত্র ৬ টেস্টে তৃতীয় জয়ের দেখা পেলো আফগানরা। ফলোঅনে পড়ে যাওয়া জিম্বাবুয়ে প্রতিরোধ গড়তে পেরেছিল শন উইলিয়ামস ও তিরিপানোর অসাধারণ এক জুটিতে। পঞ্চম দিনেও মনে হচ্ছিল অষ্টম উইকেটের এই জুটি অসম্ভব কিছুই করে ফেলতে যাচ্ছে। তিরিপানো এদিন চলে গিয়েছিলেন সেঞ্চুরির কাছে। কিন্তু তাকে ৯৫ রানে লেগবিফোরের ফাঁদে ফেলে জিম্বাবুয়েরে মূল প্রতিরোধটাই ভেঙে দিয়েছেন রশিদ। তাতে শেষ হয় ১৮৭ রানের অনবদ্য জুটি। তিরিপানোর বিদায়ের পর অধিনায়ক উইলিয়ামসের একার পক্ষে কিছু করার ছিল না। অপরপ্রান্ত থেকে সঙ্গ না পাওয়ায় ৩৬৫ রানে শেষ হয় জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় ইনিংস। রশিদ খান দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৪ রান দিয়ে নেন ৭ উইকেট! অবশ্য এর পরেও জিম্বাবুয়ে ১০৮ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছিল আফগানদের! শন অপরাজিত থেকেছেন ১৫১ রানে। দুই টেস্টে অসাধারণ নৈপুণ্যের কারণে সিরিজ সেরাও হয়েছেন তিনি। ম্যাচ সেরা আফগানদের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান হাসমতউল্লাহ। এই স্বল্প লক্ষ্য পেয়ে আফগানদের জয়টা মোটেও স্বস্তিদায়ক ছিল না। দলীয় ৮ রানে হারিয়ে বসেছিল জাভেদ আহমাদির উইকেট। ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহ মিলে সেই ধাক্কা সামাল দিয়ে পৌঁছান ৮৯ রান পর্যন্ত। তার পর হঠাৎ দ্রুত তিন উইকেট হারায় আফগানরা। বিদায় নেন জাদরান (২৯), শহিদুল্লাহ (০) ও রহমত শাহ (৫৮)। তার পর ৪ উইকেট হারানো দলটির জয় নিশ্চিত হয় নাসির জামাল (৪) ও হাসমতউল্লাহর (৬) ব্যাটে ভর করে। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন ব্লেসিং মুজারাবানি ও রায়ান বার্ল।





