গিলতে যাবেন না শহীদ জিয়ার বীরউত্তম খেতাব, আপনাদের হজম হবে না : মঞ্জু

খুলনা ব্যুরো ॥ বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার গণতন্ত্রকে গিলে খেয়েছে। গণতন্ত্র গিলে খেয়ে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এখন গিলে খেতে চাচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘বীরউত্তম’ খেতাব। কিন্তু ভুলেও খেতাব গিলতে যাবেন না, কারণ শহীদ জিয়াউর রহমানের বীরউত্তম খেতাব আপনাদের হজম হবে না। গলায় আটকে যাবে বলে মন্তব্য করে বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বর্তমান সরকার দেউলিয়াত্বের শেষ পর্যায় পৌঁছে গেছে, জাতিকে দেবার কিছুই নেই। আন্তর্জাতিকভাবে তাদের কেলেঙ্কারির কথা ফাঁস হচ্ছে। জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে নিবদ্ধ করার জন্য আজকে জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের মতো একজন ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধরনের অলিক মিথ্যা তথ্য জাতির কাছে হাজির করেছে সরকার।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকার জন্য ৩০ ডিসেম্বরের ভোট ২৯ তারিখ রাতে ডাকাতি করা হয়েছে। সরকার বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, সেক্টর কমান্ডার, বীরউত্তম জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে মহান স্বাধীনতার ঘোষক বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় বীরউত্তম খেতাব বাতিলের সরকারের হটকারী ও অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বুধবার স্বৈরতন্ত্র ও মাফিয়াতন্ত্র পতনের দাবিতে দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর ও জেলা বিএনপির সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মঞ্জু এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আজকে আপনারা দেখছেন বিভিন্ন পৌরসভা, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কীভাবে এই সরকার ভোট ডাকাতি করছে। কীভাবে জাতীয় সংসদ উপনির্বাচনগুলোতে ভোট ডাকাতি করছে। সুতরাং এই সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন পেতে হলে সকল দল ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সকল দলের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা, নগর সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, জেলা সাধারণ সম্পাদক আমির এজাজ খান, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মুশাররফ হোসেন, জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, আবু হোসেন বাবুসহ অনেকে।

ভাগ