যশোর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর সহ মোট ৬৭ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলরসহ মোট ৬৭ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। শুক্রবার জেলা নির্বাচন অফিসে সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে প্রার্থীদের মধ্যে এ প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা নির্বাচন অফিসার। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সকালের দিকে মেয়র পদে তিনজন প্রার্থীর মধ্যে দুই জনের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হলেও আইনি জটিলতার কারণে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মারুফুল ইসলামের ধাানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে সময় নেয়া হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ শুরু হওয়ার প্রথমেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হায়দার গনি খানের হাতে নৌকা প্রতীক তুলে দেন জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মো. হুমায়ূন কবীর।

এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মেহেদী হাসান মিন্টু, আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলসহ অন্যান্যরা। এরপর ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মাদ আলী সর্দারের হাতে সংগঠনটির দলীয় প্রতীক হাত পাখা তুলে দেন নির্বাচন অফিসার। এই দুই জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীসহ মোট ৬৪ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয় নির্বাচন অফিসার। এসময় স্ব স্ব প্রার্থী তাদের প্রতীক বুঝে নেন নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে। এদিকে দুপুরের দিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মারুফুল ইসলামের মনোনয়ন পত্রের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের আদেশের কপি তার আইনজীবীরা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পৌঁছে দেন। পরে সেই আদেশের বিষয়ে পরীক্ষ-নিরীক্ষার পর সন্ধ্যা ৬ টার দিকে মারুফুল ইসলামের জন্য ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেয় নির্বাচন অফিসার। মারুফুল ইসলামের পক্ষে নির্বাচন অফিস থেকে প্রতীক বুঝে নেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, যশোর নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুনীর আহম্মদ সিদ্দিকী বাচ্চু ও যুগ্ম সম্পাদক খাইরুল বাশার শাহীনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। প্রসঙ্গত, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে তফসিল দেয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে মোট ৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভাগ