ঝাঁপা বাঁওড়ে নিখোঁজ কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার॥ যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ঝাঁপা বাঁওড়ে নিখোঁজ কলেজছাত্র আল ফারাহ শোয়েবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর একটার দিকে রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন বাঁওড়ের কাছ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন ডুবুরি দল। মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার কাজ শুরু করে খুলনা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর একটা থেকে শোয়েবকে উদ্ধারে স্থানীয়দের সঙ্গে পানিতে নামেন মনিরামপুর ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের সদস্যরা। এরপর বেলা সাড়ে তিনটা থেকে ডুবুরিরা কাজে অংশ নেন। কোনও খোঁজ না পেয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শুক্রবার শুরু হওয়া অভিযানে নেতৃত্ব দেন মনিরামপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লিডার আব্দুল আজিজ।
গতকাল সকালে দ্বিতীয় দিনের মতো বাঁওড়ে নামেন খুলনা থেকে আগত ডুবুরি দলের সদস্যরা। প্রায় চার ঘণ্টা অভিযান চালানোর পর দুপুর একটার দিকে শোয়েবের মরদেহ রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন বাঁওড়ের কাছে ভাসতে দেখা যায়। তাকে হাত দুটি ওপরের দিকে উঠানো অবস্থায় দেখা যায়। জানতে চাইলে ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে ডুবুরি দল। তাকে এখনও গাড়িতে তোলা হয়নি। মরদেহ তার বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’ বৃহস্পতিবার সকালে যশোরের একটি কোচিং সেন্টার থেকে ১৮ শিক্ষার্থী রাজগঞ্জ বাজার-সংলগ্ন ঝাঁপা বাঁওড়ে পিকনিকে আসেন। এরপর তারা ‘জেলা প্রশাসক ভাসমান সেতু’র তীর হতে নৌকায় চড়ে বাঁওড় ভ্রমণে বের হন। নৌকাটি রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছালে শোয়েব, তন্ময় ও রিফাত-তিন বন্ধু নৌকা থেকে পানিতে লাফিয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে তন্ময় ও রিফাত তীরে উঠলেও নিখোঁজ হন শোয়েব। মনিরামপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লিডার আব্দুল আজিজ বলেন, ‘দ্বিতীয় দিনে আজ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে উদ্ধার কাজ শুরু হয়।’ শোয়েব যশোর সরকারি সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। তিনি যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকার শাহিন হোসেনের ছেলে।

ভাগ