ইবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন স্থগিত

ইবি সংবাদদাতা॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর গঠনতন্ত্র লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় তা স্থগিত করা হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় খোলার ৩০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার শিক সমিতির নির্বাচন কমিশনের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. এ কে এম আব্দুস ছোবাহান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হওয়া সম্ভব নয়। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ইবি শিক সমিতির গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ-৭ এর (২) ‘ক’ উপধারা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় খোলার ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
জানা যায়, প্রতি বছর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন করে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। তবে এবার করোনা মহামারির কারণে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতে পারেনি শিক সমিতি। গত ৬ ডিসেম্বর সাধারণ সভায় ক্যাম্পাস খুললে নির্বাচন হবে এমন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৩ জানুয়ারি আবারও সভার আহ্বান করা হয়। সর্বশেষ গত ১৭ জানুয়ারি আবারও সভা ডেকে নির্বাচন কমিশন গঠনের আহ্বান জানান সভাপতি। এ সময় শিকদের একটি প বন্ধ ক্যাম্পাসে কমিশন গঠন ও নির্বাচনী কার্যক্রম গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী উল্লেখ করে করে ােভ প্রকাশ করেন। এক পর্যায়ে পাঁচজন শিক পরিষদের সিদ্ধান্ত না মেনে নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করেন। নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. কে. এম. আব্দুস ছোবাহান বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময় ১৭ ফেব্র“য়ারির মধ্যে সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই গঠনতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ভাগ