পাবনায় ভাড়াবাড়িতে যশোরের স্কুল ছাত্রের আত্মহত্যা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পাবনার ঈশ্বরদী থানার দাসুড়িয়া ট্রাফিক মোড় এলাকায় নিয়ামুল ইসলাম (১৩) নামে যশোরের এক স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। অভিভাবকের দাবি, গলায় ফাঁস দিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। পাবনা থেকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক গতকাল দুপুরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিয়ামুল ইসলাম যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামের মঈনুল ইসলামের পুত্র এবং ঈশ্বরদীর একটি স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মঈনুল ইসলাম ঈশ্বরদী থানায় বেসরকারি একটি কীটনাশক কোম্পানিতে চাকরি করেন। চাকরির সুবাদে ঈশ্বরদী দাসুড়িয়া দ্রাফিক মোড় এলাকার বোকা মিয়ার বাসায় ভাড়া থাকেন মঈনুল ইসলাম। সেখানে গত সোমবার রাতে নিয়ামুল ইসলাম গলায় ফাঁস দিলে তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয় হাসপাতালে না নিয়ে নিয়ামুলের লাশ দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনেন। এ সময় কর্তব্যরত ডাঃ আহমেদ তারেক শামস তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ডাঃ তারেক শামস বলেন, তার গলায় ফাঁস লাগানোর দাগ আছে। মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় কোতয়ালি থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশের ময়না তদন্ত গতকাল হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। মামলার আইও এসআই ইদ্রিসুর রহমান জানিয়েছেন, মৃতের গলায় চন্দ্রাকৃতির দাগ আছে। স্বজনরা বলছেন, গলায় ফাঁস দিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ভাগ