মাতৃস্নেহবঞ্চিত প্রতিবন্ধী জুবায়েরের প্রয়োজন একটি হুইল চেয়ার

সাতক্ষীরা সংবাদদাতা॥ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বাড়তি খেয়াল ও যত্নের প্রয়োজন। কিন্তু সেই সৌভাগ্য হয়নি শারীরিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে জন্ম নেয়া জুবায়েরের। সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেয়া এই শিশুটিকে জন্মের পর ছেড়ে চলে যান মা। শত অভাব-অনটনের মধ্যে দিনমজুর বাবার সংসারে বেঁচে আছে শিশুটি। জুবায়েরের বয়স এখন ১০। এই বয়সে ছুটে বেড়ানোর কথা থাকলেও হাঁটাচলার সামান্য শক্তিটুকুও নেই তার। পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় ঘর থেকে উঠোন আবার উঠোন থেকে ঘরের মধ্যেই তার যাতায়াতের গণ্ডি। কলারোয়ার কেড়াগাছি ইউনিয়নের আইচপাড়া গ্রামের দিনমজুর খায়রুল ইসলামের ছেলে সে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, অসম্পূর্ণ শারীরিক গঠন নিয়ে জন্ম নেয় শিশু জুবায়ের, যা পর্যায়ক্রমে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধিত্বে রূপ নেয়। একমাত্র সন্তান প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেয়ায় তাকে প্রতিপালনে অস্বীকৃতি জানান গর্ভধারিণী মা। দুগ্ধপোষ্য জুবায়েরকে ফেলে চলে যান তিনি। এরপর দাদি রমেছা খাতুন তাকে পরম মমতায় আগলে রেখেছেন ১০টি বছর। কিছুদিন আগে তার ভাগ্যে জোটে একটি প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড। নাতিকে সহায়তার আহ্বান জানিয়ে সমাজের বিত্তবানদের কাছে রমেছা খাতুনের অনুরোধ, ‘ছেলেটি জন্ম থেকেই শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। এখন তার বয়স ১০ বছর। শারীরিক গঠন বড় হয়েছে। এখন আর আগের মতো কোলে-পিঠে বইতে পারি না। সে সাধারণ চেয়ারেও ঠিকভাবে বসতে পারে না। একটি হুইল চেয়ার তার এই অচলাবস্থা দূর করতে পারে।’

ভাগ