কম্বল দেয়ার লোভ দেখিয়ে শিশু অঙ্কিতাকে ধর্ষণ ও হত্যা করে বাড়িওয়ালার ছেলে

খুলনা ব্যুরো ॥ কম্বল দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে খুলনার দৌলতপুরে নয় বছরের শিশু অঙ্কিতাকে ধর্ষণ ও হত্যা করে বাড়িওয়ালার ছেলে ২৭ বছরের যুবক প্রীতম রুদ্র। শনিবার খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট সারোয়ার আহমেদের আদালতে ১৬৪ ধারায় প্রীতম রুদ্র স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় বলে নিশ্চিত করেছেন দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আল মামুন । ওসি জানান ভবনের ছাদে কম্বল দেয়ার কথা বলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালালে শিশু কন্যা অঙ্কিতা চিৎকার করে। এক পর্যায়ে প্রীতম রুদ্র তার মাথায় ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করলে নয় বছরের শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এরপর ধর্ষণ শেষে নাইলনের দড়ি গলায় ফাঁস দিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। ওসি হাসান আল মামুন আরও জানান, আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে প্রীতম জানায়,হত্যার পর বস্তায় ভরে শিশুর লাশ প্রথমে গ্যারেজের পাশে সিমেন্টের বস্তায় রাখে। পরবর্তীতে গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে বিউটি পার্লারের বাথরুমে লুকিয়ে রাখে। ঘটনার সাথে আর কেউ জড়িত নয় বলে সে স্বীকার করেছে। গত ২২ জানুয়ারি দুপুরে খেলার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় অঙ্কিতা। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিলো। ২৮ জানুয়ারি শিশুটির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের পর প্রীতমসহ আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আটক করে। শুক্রবার রাতে প্রীতমকে মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। প্রীতম রুদ্র (২৭) দৌলতপুর বণিকপাড়া বীণাপানি ভবনের মালিক প্রভাত কুমার রুদ্রের ছেলে। এই ঘটনায় আটক অপর সাতজনকে ছেড়ে দেয়া হবে বলে ওসি জানান। এদিকে শনিবার বিকেলে শিশু অঙ্কিতাকে ধর্ষণ ও হত্যায় দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, দৌলতপুর খুলনার ব্যানারে মানববন্ধন করেছে।

ভাগ