স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেছেন, দেশে উন্নয়নের নামে দুর্নীতি ও লুটপাটের মহোৎসব চলছে। মেঘা প্রকল্প থেকে মেগা লুটপাট করে পকেটভারি করছে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। সেই লুটপাটের ঘাটতি পূরণ করতে গিয়ে জনগণের ওপর দায় চাপানো হচ্ছে। যে কারণে নিত্য পণ্যের দাম অব্যাহতভাবে বেড়েই চলেছে। গতকাল শনিবার যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে জেলা মৎস্যজীবী দলের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, আওয়ামী শাসনামলে কৃষক উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত। মধ্যস্বত্বভোগীরা তাদের পণ্যের মুনাফা লুফে নিচ্ছে। জনগণের প্রতি এই সরকারের ন্যূনতম দায়বদ্ধতা নেই।
আজ দেশে গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকার, আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা কোন কিছুই নেই। সংবাদপত্রের কন্ঠরোধ করা হয়েছে। যে কারণ সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। তারপরও জনগণের দল বিএনপি সব সময় জনগণের স্বার্থবিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। তিনি বলেন, যশোর বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের চরণ ভূমি। এখান থেকে তারই যোগ্য উত্তরসূরী বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নেতৃত্বে সরকার পতনে আন্দোলনের কর্মসূচি শুরু হবে। সেই আন্দোলনে মৎস্যজীবী দল অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেন, দেশ ও জনগণকে বাঁচাতে এই সরকারের পতনের কোন বিকল্প নেই। এই সরকারের পতন মানেই দেশের গণতন্ত্রমুক্ত। জনগণ মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে পারবে। প্রতিষ্ঠিত হবে আইনের শাসন, জনগণ ফিরে পাবে তার সকল মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। প্রতিষ্ঠিত হবে জনবান্ধন সরকার।
প্রতিনিধি সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজ, শেখ মো. শামীম, কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ সেলিম মিয়া, কাজী মামুন-উল-হুদা প্রমুখ।
প্রতিনিধি সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন টেনিয়া এবং পরিচালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান বাবলু।
এর আগে নেতৃবৃন্দ শহরের কারবালা কবরস্থানে গিয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেন।





