স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর সদর উপজেলার রামনগর গ্রামে গতকাল বিকেলে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ও পুরুষসহ উভয়পক্ষের ১১ জন আহত হয়েছে। আহতদের ভেতর ৩ জনকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হচ্ছেন, রামনগর খানপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমান (৪০), তার স্ত্রী মারুফা (২৫), কন্যা তাসনিম আক্তার মীম (১৮), ছেলে তহিদুল ইসলাম রানা (২০), রিপন (২৫), রিপনের স্ত্রী তহমিনা (৩৫), ইসহাক খানের ছেলে আসাদ (৩০), আলমগীর সিদ্দিক (৫০), তার দু’ছেলে লিটন (১৮), ইমন (১৬), প্রতিপক্ষ শেখ সালাহউদ্দিন টিপু (৩৮)। আহত মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, সালাহউদ্দিন টিপু হালিমুল হক খানের কাছ থেকে ২৭ শতক জমি কিনেছেন। ওই জমি আইল দিয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের হওযার পথ রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে এপথে তারা যাতায়াত করেন। সালাহউদ্দিন টিপু জমি কেনার পর তাদের আর পথ দিচ্ছেন না। পথ আটকে তিনি মার্কেট নির্মাণ করছেন। পথ না দেয়ার ঘটনায় তার প্রতিবাদ করেন। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে বলে। এ ঘটনার পর সালাহউদ্দিন টিপু ৩০/৪০ জন লোকজন নিয়ে কাল বিকেলে তাদের ওপর হামলা চালায় এবং ১০ জনকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে এতে তারা আহত হন। তারা ৫টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। বোমায় তাসনিম আক্তার মীম, তহিদুল ইসলাম রানা, ইমন আহত হন। এক পর্যায়ে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষে সালাহউদ্দিন আহত হন।
সালাহউদ্দিন যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক অর্থসম্পাদক ও যশোর পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদার। তিনি মিজানুর রহমানকে দোষারোপ করে বলেন, পথ নিয়ে গোলযোগ। যার কাছ থেকে জমি কিনেছেন, তিনি পথ দেয়ার কথা উল্লেখ করেননি। এখন মার্কেট করার সময় মিজানুর রহমান ও তার লোকজন মার্কেট ভেঙে দিতে চাইছে। গতকাল লোকজন নিয়ে তারা হামলা চালিয়েছে। বোমা কারা মেরেছে এমন প্রশ্নের উত্তরে সালাহউদ্দিন জানেন না বলে উল্লেখ করেন। তাসনিম আক্তার মীম, রানা ও সালাহউদ্দিনের যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।





