খুলনায় বিএনপির বিজয় দিবস পালন : আওয়ামী লীগ হরণ করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র

0

যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালন করেছে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি। এ উপলক্ষে বুধবার দলীয় কার্যালয়গুলোতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, আলোকসজ্জা ও তোরণ নির্মাণ করা হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে সকাল ৭ টায় গল্লামারী স্মৃতিসৌধে নগর ও জেলা বিএনপি পৃথক পৃথকভাবে পুষ্পমাল্য অর্পণসহ এক মিনিট নীরবতা পালন করে। সকাল ১১ টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিজয় দিবসের সমাবেশ খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ পরিচালনা করেন আসাদুজ্জামান মুরাদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল বীর শহীদ, দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আ. গফ্ফার ও মাওলানা আ. মান্নান।
সমাবেশে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা একদিনে আসেনি, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা। গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের ল্েয শুরু হয় চূড়ান্ত স্বাধীনতার যুদ্ধ। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অসহায় নিরীহ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ করে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করে। ২৫ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতিকে কোনো দিক-নির্দেশনা না দিয়েই শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানিদের কাছে বন্দি হন। ওই অবস্থায় জাতি যখন দিশেহারা, ঠিক এমনি এক অমানিশার ঘোর অন্ধকারে বিদ্যুৎ চমকের মতো ঝলসে উঠলো প্রকৃতি ও মানুষ। বাতাসের প্রতিটি তরঙ্গে কান পেতে সবাই শুনলো ‘উই রিভোল্ট’। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীনতা। গণতন্ত্র রায় সাধারণ জনগণের ভোটের অধিকার রায় শুরু হওয়া স্বাধীনতা সংগ্রামের আজ বিজয়ের ৫০তম বর্ষে এসে ভূলুন্ঠিত জনগণের ভোটের অধিকার। বর্তমান মতাসীন আওয়ামী লীগ কূটকৌশলে হরণ করেছে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা, গণতন্ত্র। এই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাজ করতে হবে।’ সমাবেশ শেষে বিজয় দিবসের বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালি পিকচার প্যালেস, ডাকবাংলা, ফেরিঘাট, শান্তিধাম রোড হয়ে রয়েল চত্বরে গিয়ে নজরুল ইসলাম মঞ্জু সকলকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন। এ সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এসএম শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, অ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, স. ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, অ্যাড. শরিফুল জোয়াদ্দার খোকন, অ্যাড. মোমরেজুল ইসলাম, মোল্লা সাইদুর রহমান মিন্টু, অ্যাড. মাসুম রশিদ, রেহানা ঈসা, অ্যাড. তসলিমা খাতুন ছন্দা, আব্দুর রকিব মল্লিক, আবু হোসেন বাবু, সিরাজুল হক নান্নু, নজরুল ইসলাম বাবু, কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, অ্যাড. শহিদুল আলম, মেহেদী হাসান দীপু, মহিবুজ্জামান কচি, ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি