শিপলু জামান, কালীগঞ্জ(ঝিনাইদহ)॥ সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার পিরোজপুর গ্রামে অবৈধ ইটভাটা চলছে ইট তৈরি ও পোড়ানোর কাজ। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এ বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশের পরও অবৈধ ভাটা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ইটভাটার ক্ষেত্রে সরকারিভাবে বেশি উচ্চতার ইটের চিমনি বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। সরকারের এ আদেশ মানছে না এই ইটভাটার মালিক। ঝিনাইদহের কিছু এলাকায় অবৈধ ইটভাটা বন্ধ হলেও কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়নে মেসার্স জে কে ব্রিকসে আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে অল্প উচ্চতার ড্রাম-সিটের চিমনির ব্যবহার করে ইট পোড়ানো হচ্ছে। কৃষিজমির পাশে গড়ে উঠেছে এ ইটভাটা। এছাড়া অবৈধভাবে পোড়ানোর জন্য বিপুল পরিমাণ কাঠের খড়ি মজুদ করেছে সংশ্লিষ্টরা। দেশের বনজ সম্পদ উজাড় করে প্রতিদিন ট্রাক ট্রাক খড়ি নিয়ে আসা হচ্ছে এ ইটভাটায়। পিরোজপুর এলাকার স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মেসার্স জে কে ব্রিকস কৃষিজমির পাশে স্থাপন করায় তাঁদের ফসলের তি হয়। ভালো ফলন পাওয়া যায় না। ইটভাটার মালিক স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাঁরা প্রতিবাদ করতেও সাহস পান না। এছাড়া ওই ইটভাটার কিছু দূরে একটি গ্রাম রয়েছে। এ ব্যাপারে মেসার্স জে কে ব্রিকসের মালিক সাবেক ইউ পি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ইটভাটা স্থাপনের লাইসেন্স দিয়ে থাকে, জয়নাল আবেদিন কাছে লাইসেন্সর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এবিষয়ে কোনে সদুত্তর না দিয়ে কার কার এই লাইসেন্স আছে বলে উল্টো সাংবাদিকদের কাছেই প্রশ্ন করেন। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবর্ণা রানী সাহার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সকল ভাটা মালিক কে পরিবেশ বান্ধব ইট ভাটা ব্যবহার করার জন্য বলা হয়েছে। তিনি মেসার্স জে কে ইট ভাটা সম্পর্কে অবগত নন, তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান।





