ডিকশনারি থেকে ‘যৌন আবেদনময়ী’ শব্দ বাদ দিল অক্সফোর্ড
লোকসমাজ ডেস্ক॥ বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড অভিধানের শব্দভান্ডার থেকে বাদ দেয়া হলো ‘এসেক্স গার্লস’ নামে একটি পরিভাষা। এর মাধ্যমে যৌনতা প্রকাশ পাওয়ায় বিতর্কিত পরিভাষা হয়ে উঠে এটি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অক্সফোর্ডের অভিধান থেকে এসেক্স গার্ল বাদ দেয়ার দাবি উঠেছিল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান জানায়, বিদেশি ভাষার শিার্থীদের জন্য একটি বইয়ে এসেক্স গার্ল পরিভাষাটি ব্যবহার হওয়ায় নিজেদের অভিধান থেকে এটি বাদ দিল অক্সফোর্ড। ওই বইয়ে এসেক্স গার্লের অর্থ হিসেবে বলা হয়েছে, ‘সরব, খারাপ পোশাক পরিধানকারী এবং যৌনতায় আগ্রহী মেয়ে।’ অক্সফোর্ড অ্যাডভান্সড লার্নারস ডিকশনারিতে এ পরিভাষা নিয়ে বলা হয়, ‘মজা করে এমন কিছু তরুণীদের বোঝানো হয় যারা বুদ্ধিমান নয়, খারাপ পোশাক পরিধান করে, উচ্চস্বরে ও কুরুচিপূর্ণ কথা বলে এবং যৌনতা করতে খুবই আগ্রহী।’ ইতিমধ্যে পরিভাষাটিকে ‘খুবই আপত্তিকর’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে এটি অভিধান থেকে বাদ দেয়ার জন্য দাবি জানিয়ে আসছিলেন এসেক্সের বাসিন্দারা। এসেক্স হচ্ছে ইংল্যান্ডের পূর্বে লন্ডনের উত্তর-পূর্বের একটি কাউন্টি। যার দেিণ টেমস নদীর মোহনা। অভিধান থেকে এসেক্সের মেয়েদের নিয়ে এ বিতর্কিত পরিভাষা সরানোর দাবি জানিয়ে আসছিল ‘দ্য এসেক্স গার্লস লিবারেশন ফ্রন্ট’ নামে একটি সংগঠন। ব্রিটিশ বেস্ট সেলার ঔপন্যাসিক ও টিভি উপস্থাপিকা সিড মুর এটির প্রতিষ্ঠাতা। তবে তাদের দাবি নাকচ করে দিয়েছিল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। তাদের বক্তব্য ছিল, ‘অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি থেকে কখনো কিছু বাদ দেয়া হয় না, কারণ এটি একটি ঐতিহাসিক অভিধান।’ এরপরেও যৌনাত্মক পরিভাষাটি সরানোর দাবি থেকে পিছপা হয়নি এসেক্সর সচেতন মহল। যার প্রেেিত পরিভাষাটি অভিধান থেকে বাদ দিতে বাধ্য হলো অক্সফোর্ড।
জর্জিয়ায় ভোটের ফল পাল্টাতে গভর্নরকে ট্রাম্পের চাপ
লোকসমাজ ডেস্ক॥ জর্জিয়ায় ভোটের ফলাফল উল্টে দিতে সাহায্য করার জন্য রাজ্যটির রিপাবলিকান গভর্নরের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ধারাবাহিক কয়েকটি টুইটে তিনি গভর্নর ব্রায়ান কেম্পকে রাজ্যের আইনসভার বিশেষ অধিবেশন ডাকার আহ্বান জানিয়েছেন। ওয়াশিংটন পোস্ট, সিএনএন, বিবিসিসহ প্রধান প্রধান সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গতকাল জর্জিয়ায় নির্বাচনী প্রচারণায় যোগ দেওয়ার আগে ট্রাম্প রাজ্য গভর্নরকে ফোন করেন। ট্রাম্প নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করে নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন আর বাইডেনের জয় ‘প্রতারণার মাধ্যমে এসেছে’ বলে কোনো প্রমাণ ছাড়াই অভিযোগ করে আসছেন। ফোন করে ট্রাম্প বলেছেন, গভর্নর যেন রাজ্য আইনসভার বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করেন। সেই অধিবেশনের মাধ্যমে যেন ফলাফল বাতিল করেন। জর্জিয়ার ভালদস্তায় দুই সিনেট প্রার্থীর পে প্রচারণার ল্েয আয়োজিত সমাবেশে ট্রাম্প আবার বলেছেন, ‘নির্বাচনে আমরা জিততে যাচ্ছি।’ আগামী ৫ জানুয়ারি দুই প্রার্থী জর্জিয়ায় সিনেটের গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় দফার ভোট মোকাবিলা করবে। এর ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে ১০০ আসনের সিনেট কোন দলের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। রিপাবলিকান দলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত জর্জিয়ায় জো বাইডেন ১২ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন। এর আগে ১৯৯২ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির বিল কিনটন এ রাজ্যে জয়ী হয়েছিলেন।
পাশিনিয়ানের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল আর্মেনিয়া
লোকসমাজ ডেস্ক॥ আজারবাইজানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বারের দায়ে আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে নেমেছে হাজারো মানুষ। গত মাসে চুক্তি স্বারের পর থেকে এখন পর্যন্ত শনিবার সবচেয়ে বড় বিােভ আয়োজিত হয়। জার্মান সংবামাধ্যম ডয়চে ভেলে এখবর জানিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে নাগোরনো-কারাবাখ আজারবাইজানের অংশ বলে স্বীকৃত। কিন্তু এলাকাটিতে বসবাস ছিল আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর মানুষদের। সেখানে নিজেদের বিচ্ছিন্নতাবাদী সরকারও প্রতিষ্ঠা করেছিল তারা। সম্প্রতি তারই জেরে ছয় সপ্তাহ ধরে যুদ্ধ হয়েছে সেখানে। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে আর্মেনিয়া পর্যুদস্ত হয়ে পড়লে রাশিয়ার হস্তেেপ শান্তিচুক্তি স্বারিত হয়েছে। ত্রিদেশীয় চুক্তিতে আর্মেনিয়া কারাবাখের তিনটি জেলা ছেড়ে দিতে সম্মত হয়। ইতোমধ্যে আজেরি বাহিনী আগদাম, লাচিন ও কালবাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। শনিবার পাশিনিয়ানকে বিশ্বাসঘাতক উল্লেখ করে স্লোগান দেন বিােভকারীরা। রাজধানী ইয়েরেভানে ২০ হাজারের বেশি প্রতিবাদকারী বিােভে অংশ নেন। বিােভকারীদের অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের দিকে অগ্রসর হন। আর্মেনিয়ার বিরোধী দলীয় নেতা আর্তুর ভ্যানেটসিয়ান বলেন, আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদ এখন রাজনৈতিক লাশের দখলে। বিােভে অংশ নিয়েছেন আর্মেনীয় অ্যাপস্টলিক গির্জার অনেক অনুসারী। খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের বেশি কিছু পবিত্র স্থান আজারবাইজানের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ করছেন। গত মাসে আর্মেনিয়া কর্তৃপ জানিয়েছে, পাশিনিয়ানকে হত্যার একটি পরিকল্পনা তারা নস্যাৎ করেছে। সংঘাত চলাকালে যুদ্ধের ফ্রন্টে ছিলেন তার স্ত্রী ও ছেলে। তিনি দাবি করেছেন, কারাবাখের জন্য শান্তিচুক্তি ছাড়া আর্মেনিয়ার সামনে আর কোনও বিকল্প ছিল না।





