স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে এক জায়গায় স্থির রয়েছে। নতুন আলু বাজারে আমদানি হলেও পুরনো আলুর দাম কমেনি। কাঁচা মরিচের দাম আরও বাড়লেও আদা, পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কিছুটা কমেছে। কমেছে সবজির দামও। বাজারে শীতকালীন মাছের সরবরাহ যথেষ্ঠ পরিমাণে বেড়েছে। গতকাল শুক্রবার যশোরের বড় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সয়াবিন তেল এখনও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১০৮ থেকে ১১০ টাকা, পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা, সুপার তেল ১০০ থেকে ১১০ টাকা ও সরিষার তেল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা। বড় বাজারের খুচরা তেল ব্যবসায়ী রবি ব্যানার্জি পাইকারি ব্যবসায়ীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, শীতকালে তেলের দাম কমার আর সম্ভাবনা নেই। গত দু’সপ্তাহ ধরে তেলের দাম একই পর্যায়ে রয়েছে।
বাজারে নতুন আলুর সরবরাহ বেড়ে দামও কিছুটা কমে এসেছে। গতকাল প্রতি কেজি নতুন আলু ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে দোকানিদের বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে পুরনো আলুর দাম মোটেও কমেনি। প্রতি কেজি ৪৪ থেকে ৪৫ টাকায় এখনও বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে কাঁচা মারিচের দাম মোটেও সহনীয় পর্যায়ে আসছে না। গত সপ্তাহের থেকে প্রতি কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে গতকাল বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। বাজারে পেঁয়াজের দাম এ সপ্তাহে আরও খানিকটা কমেছে। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, আমদানি করা বিদেশি পেঁয়াজ ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আদা, রসুন ও শুকনো মরিচের দামও কমেনি। গতকাল দেশি ও বিদেশি রসুন বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা, আদা ৬০ থেকে ১৫০ টাকা ও শুকনো মরিচ বিক্রি হয়েছে ৩০০ টাকায়। শীতকালীন সবজির বাজার প্রতিনিয়ত ক্রেতাদের স্বস্তি দিচ্ছে। এ সপ্তাহেও সবজির দাম বেশ কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজিতে ১৬০ টাকা কমে গতকাল পেঁয়াজের কালি বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা, ১০ থেকে ২০ টাকা কমে বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, ৪০ থেকে ৫০ টাকা কমে গাজর বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ১০ থেকে ২০ টাকা কমে ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা, ১০ টাকা কমে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, ১০ টাকা কমে বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা আর ১৫ টাকা কমে ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা দরে। বড় বাজার মাছবাজারে এখন শীতকালীন সাদা মাছের প্রচুর যোগান আসছে, পাশাপাশি পরিমাণে কম হলেও ইলিশের সরবরাহ রয়েছে প্রতিদিন। গতকাল শুক্রবার বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, দেড় কেজি ওজনের ইলিশের কেজি ১১০০ টাকা, ৩/৪ টায় কেজি ইলিশ ৩০০ টাকা, এক কেজি ওজনের রুই মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, কাতল এক কেজি ওজন ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, এক কেজির ওপরে শোল ৬০০ টাকা, ৮ টায় কেজি গলদা চিংড়ি মাছ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, ১০ টায় কেজি পারসে মাছ ৬০০ টাকা, ১০ টায় কেজি দেশি শিং ১০০০ টাকা, ২ টায় কেজি তেলাপিয়া ৮০ টাকা, ৪ টায় কেজি বেলে মাছ ৮০০ টাকা, ১৪/১৫ টায় কেজি দেশি কৈ মাছ ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।




