কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কেউ এলেন না সামনে, দিলেন না উত্তর

কালীগঞ্জ(ঝিনাইদহ)সংবাদদাতা ॥ করোনা ভাইরাসকালীন সময়ে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য
কেন্দ্রের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা হোটেলে না থেকেও ভুয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে ৫৭ হাজার ৬শ টাকা ও হোটেলে খাওয়া বাবদ ৯৬ হাজার টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে শনিবার সকালে হাসপাতাল চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। তবে উপস্থিত সাংবাদিকরা যখন জানতে চান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা সামনে এসে জানান কে কোন হোটেলে ছিলেন, তখন প্রতিবাদ সমাবেশকারীদের মধ্যে কেউ আসেননি সামনে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সুলতান আহমেদ সমাবেশে তার বক্তব্যে প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলেন। এসময় করোনাকালে কর্তব্যপালনে তিনি কোন হোটেলে ছিলেন প্রশ্ন করলে তিনি তা এড়িয়ে যান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রতিবাদ সমাবেশের চিঠি সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে স্বাক্ষর ছিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শামীমা শিরিনের। তবে গতকাল অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি ছিলেন। এসময় তিনি তার দফতরে অবস্থান করছিলেন। সংবাদপত্রে প্রকাশিত কোন সংবাদ নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এমন সমাবেশ করতে পারেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন সেলিনা বেগম বলেন, তিনি জানতেন সংবাদটির বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করা হবে। প্রতিবাদ সমাবেশের বিষয়টি জানেন না। তবে কালীগঞ্জ হাসপাতালে করোনাকালীন তিন লাখ টাকা নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে সে ঘটনায় তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

ভাগ