স্টাফ রিপোর্টার॥ বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মারামারিতে বিএনপি নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বাঘারপাড়া থানায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী দিলু পাটোয়ারী এ মামলা করেন। অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে ৪ জন বিএনপির নেতাকর্মী রয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাতে বাঘারপাড়ার ইন্দ্রা বাজারে আওয়ামীলীগ মনোনিত নৌকার প্রার্থী ভিক্টোরিয়া পারভীন সাথীর সমর্থক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দিলু পাটোয়ারীর উপস্থিতিতে তার সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়ান। এ ঘটনায় ইন্দ্রা গ্রামের জাকির হোসেন (নৌকা সমর্থিত) বাদি হয়ে দিলু পাটোয়ারীসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার দুইদিন পরে বৃহস্পতিবার রাতে দিলু পাটোয়ারী ২৫ জনের নাম উল্লেখ্য করে পাল্টা একটি মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন প্রয়াত নাজমুল ইসলাম কাজলের ছোট ভাই ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ভিক্টোরিয়া পারভিন সাথীর দেবর জামদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম টুটুল, রামনগর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে হান্নান, ইন্দ্রা গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা খন্দকার শহিদুল্লাহ’র ছেলে সাজ্জাদ হোসেন, জাফরের ছেলে জাকির, মৃত জহুরুল ইসলামের ছেলে শরিফুল, ফেরদৌস, আব্দুর রব, জাকারিয়া, মুজিবর মোল্যার ছেলে ইলিয়াস, জাফরের ছেলে তরিকুল, আব্দুল মজিদের ছেলে হানিফ, আব্দুর রহমান মোড়লের ছেলে মুকুল, মৃত মহাতাব মোল্যার ছেলে জাহাঙ্গীর, আব্দুল্যা খন্দকারের ছেলে মিলন ও খন্দকার মেহেদি হাসান, সুলতান মোল্যার ছেলে মাসুদ, মালঞ্চি গ্রামের মকবুল কারিগরের ছেলে বাবর আলী, দোহাকুলা গ্রামের কাশেম মোল্যার ছেলে নজরুল, হোসেন আলী মোল্যার ছেলে যুবলীগ নেতা জুলফিক্কার আলী জুলাই, মোশারেফ হোসেনের ছেলে শিমুল হোসেন, ভিটাবল্লা গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে কামাল, সদুল্যাপুর গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে মাহমুদ, মহিরণ গ্রামের মৃত মোনছের মোল্যার ছেলে কাছেদ আলী, মৃত নাদের হোসেন মোল্যার ছেলে কাছেদ আলী, তোরাব আলীর ছেলে হিরু। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, মঙ্গলবার রাতে ইন্দ্রা বাজারে পৌঁছালে আসামীরা তার গাড়ির গতিরোধ করে গাড়ি ভাংচুর করে দুই লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয়। ২৫ আসামির মধ্যে রয়েছে ৪ জন বিএনপির নেতা কর্মী। তারা হচ্ছেন, বাঘারপাড়া পৌর যুবদলের সদস্য সচিব হিরু আহম্মেদ, ছাত্রদল নেতা খন্দকার মেহেদী হাসান, বিএনপি নেতা কাছেদ আলী মোল্লা ও কাছেদ হোসেন। এ বিষয়ে মামলার প্রধান আসামি জামদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম টুটুল জানিয়েছেন, মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের বেশির ভাগই ঘটনার দিন এলাকায় ছিলেন না। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের দাবিয়ে রাখা যাবে না। আর বিএনপির নেতা কর্মীদের আসামি করার বিষয়টি ন্যাক্কারজনক ও অতি মাত্রার নোংরামি ছাড়া আর কিছুই না। বাঘারপাড়ার থানার ওসি সৈয়দ আল মামুন নিশ্চিত করেছেন মামলার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।




