খেলার খবর

নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পিছিয়ে গেল
স্পোর্টস ডেস্ক॥ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ তিন মাস পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দণি আফ্রিকায় বসবে এই বৈশ্বিক আসর। বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানায়, ২০২২ সালে নারীদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং কমনওয়েলথ গেমসের কারণেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগের সূচি অনুযায়ী, ২০২২ সালের নভেম্বরে বসার কথা ছিল পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। এবার তিন মাস পিছিয়ে তা পরের বছরের ফেব্রুয়ারিতে হবে। ২০২৩ সালে নারী ক্রিকেটের কোনো মেজর টুর্নামেন্ট না থাকায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। আইসিসির প থেকে বলা হয়েছে, ক্রিকেটার এবং কর্মকর্তাদের ওপর থেকে চাপ কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে গত আগস্টে মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এক বছর পিছিয়ে দেয় আইসিসি। নিউজিল্যান্ডে প্রাথমিকভাবে যা হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে। মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ নিয়ে অবশ্য এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। আগামী জানুয়ারিতে বাংলাদেশে হওয়ার কথা এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী আসর।

টিভি দর্শকের রেকর্ড ভাঙল আইপিএল
স্পোর্টস ডেস্ক॥ আইপিএলের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি মানুষ টিভিতে টুর্নামেন্টেটি দেখেছেন। প্রিমিয়ার লিগটির অফিসিয়াল ব্রডকাস্টার স্টার ইন্ডিয়া শুক্রবার জানিয়েছে, আগের বছরের চেয়ে এবার ২৩ শতাংশ বেশি মানুষ এই টুর্নামেন্ট দেখেছেন। স্টার ইন্ডিয়ার স্পোর্টস বিভাগের প্রধান সঞ্জয় গুপ্তা বিবৃতিতে বলেছেন, ১৩তম আসর ৩ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার টিভিতে দেখা হয়েছে। চ্যানেলটির প থেকে বলা হয়েছে, দর্শকদের ২৪ শতাংশ ছিলেন নারী। শিশু ২০ শতাংশ। আইপিএল নিয়ে এমনিতেই আগ্রহের কমতি নেই। আর এবার তো সবাইকে অপোয় রাখে করোনাভাইরাস। সেই কবে এপ্রিলে শুরু হওয়ার কথা ছিল, সেটা পেছাতে পেছাতে চলে আসে সেপ্টেম্বরে। ভারতে করোনা-পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় টুর্নামেন্টের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে যায় বিসিসিআই। তবে সেখানেও দর্শক ঢোকার সুযোগ ছিল না। ফলে ছোটপর্দায়ই সবাই আইপিএল উপভোগ করেন। ভারতীয় দর্শকেরা বিভিন্ন উপায় খুঁজে নিয়েছেন আইপিএল খেলা দেখার জন্য। স্ট্রিমিং সাইটে আগে খেলা দেখা গেলেও দর্শকেরা এবার টিভিতে চোখ রাখেন বেশি। এবার ভারতে মোট ২৪টি চ্যানেল আইপিএল দেখায়। শুধু প্রথম ম্যাচ দেখার জন্যই ২০ কোটি মানুষ টিভি খুলে বসেছিলেন। চেন্নাই ও মুম্বাইয়ের ওই ম্যাচ, ১৩ বছর পুরোনো এক রেকর্ড ভেঙে দেয়। আইপিএলের প্রথম ম্যাচে ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল মুখোমুখি হয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। সে ম্যাচ দেখতে ভারতে টিভির সামনে বসেছিলেন ১৯ কোটি ৫০ লাখ মানুষ।

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টির আগেই মুমিনুলের করোনা জয়
স্পোর্টস ডেস্ক॥ করোনা রিপোর্ট হাতে পেয়ে বলেছিলেন যেকোনো মূল্যে খেলতে চান। মুমিনুল কথা রাখতে পারলেন। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই কভিড-১৯ রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে দ্বিতীয় করোনা পরীায় নেগেটিভ এসেছে মুমিনুলের। এখন বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে অংশগ্রহণে আর কোনো বাধা রইল না বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের। এর আগে গত ১০ নভেম্বর সস্ত্রীক করোনা আক্রান্ত হন মুমিনুল। সেই থেকে আইসোলেশনে ছিলেন। শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো থাকায় চিকিৎসা নিয়েছেন বাসায়। করোনা থেকে সেরে ওঠার আগেই জাতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ককে দলে নেয় গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। এখন করোনা নেগেটিভ হওয়ায় দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবেন তিনি। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ২৬ নভেম্বর খেলতে নামবে মুমিনুলের দল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। এই লড়াইয়ে তাদের প্রতিপ বেক্সিমকো ঢাকা। করোনামুক্ত হওয়ার খবর শুনে মুমিনুল বলেছেন, ‘বড় বোঝা নেমে গেল। সামনে টুর্নামেন্ট, এর আগে এমন বসে থাকাৃযাক আলহামদুলিল্লাহ এখন সুস্থ আছি। মাঠে ফিরতে হবে দ্রুত। হাতে সময় আছে। আশা করছি সমস্যা হবে না।’

কাতার পৌঁছার পর করোনা পজিটিভ বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার
স্পোর্টস ডেস্ক॥ কাতারে পৌঁছেও স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ দল। প্রথম দফার করোনা টেস্টে পজিটিভ হয়েছেন সফরকারী দলের দু’জন সদস্য। এরা হলেন- ম্যানেজার আমের খান, আরেকজন ফিজিও ফুয়াদ হাসান হাওলাদার। শুক্রবার করোনা পজিটিভ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ। তিনি বলেছেন, ‘কাতারে বিমানবন্দরে নামার পরেই সবার করোনা পরীা হয়েছিল। যার ফলাফল আমরা আজকে পেয়েছি। কোচ, খেলোয়াড়সহ বাকিরা নেগেটিভ এলেও আমাদের দুজনের ফলাফল পজিটিভ এসেছে। একজন হলেন ম্যানেজার আমের খান, আরেকজন ফিজিও ফুয়াদ হাসান হাওলাদার।’ বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে কাতারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য বাংলাদেশ দল এখন রাজধানী দোহাতে। বৃহস্পতিবার সকালে বিমানে চেপে বিকালেই সেখানে পৌঁছে গেছে জামাল-সাদরা। অবশ্য বিমান বন্দরে নামার পর সেখানেই তাদের করোনা পরীা হয়েছিল। এখন সফরকারীদের সবাই ২৪ ঘণ্টার কোয়ারেন্টিন মেনে চলছে। যার মেয়াদ শেষ হবে আজ। আবু নাঈম সোহাগ আরও বলেছেন, ‘সেখানে পৌঁছার পর সবার ২৪ ঘণ্টার বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন আজকে শেষ হবে। এছাড়া যারা পজিটিভ হয়েছেন, এদের আগামীকাল আবারও করোনা টেস্ট হবে। এই সময়ে তারা আইসোলেশনেই থাকবেন।’ বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার আমের খান দোহার হোটেল থেকে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমার সবাই যার যার রুমে আছি। আমি আর ফিজিও আক্রান্ত হলেও কোনও উপসর্গ নেই।’ আজকে আবার হোটেলেই হালকা জিম সেশনে অংশ নেবে জামাল ভূঁইয়ারা। তবে বিভক্ত হয়ে আলাদাভাবে তারা জিম সেশনে অংশ নেবেন।

বুমরাহ-স্টার্কদের লড়াই দেখতে মুখিয়ে জহির
স্পোর্টস ডেস্ক॥ মাঠের লড়াইয়ের আগে শক্তি-সামর্থ্যের যে হিসাব, তাতে অস্ট্রেলিয়া-ভারতের কোনো এক দলকে এগিয়ে রাখতে পারছেন না জহির খান। তবে একটি ব্যাপারে নিশ্চিত ভারতের এই পেস বোলিং গ্রেট। সাবেক বাঁহাতি পেসারের মতে, এই লড়াইয়ে জয়-পরাজয়ের নিয়ন্তা হবে দুই দলের বোলারদের পারফরম্যান্স। দুই দলের অস্ত্র ভাণ্ডারেই মজুদ সময়ের সেরা পেসারদের কয়েকজন। ভারতীয় দলে আছেন জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ শামি, উমেশ যাদবের মতো পেসাররা। সঙ্গে নবদিপ সাইনি, মোহাম্মদ সিরাজের মতো উঠতি গতিময় পেসার। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে পেস তোপ ছুঁড়বেন প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হেইজেলউড, জেমস প্যাটিনসনরা। তুমুল আলোচিত এই সিরিজ নিয়ে সনি পিকচার্স স্পোর্টস নেটওয়ার্কে জহির বললেন, সেরা বোলারদের লড়াই দেখতে মুখিয়ে তিনি। “অস্ট্রেলিয়ার পিচগুলোয় সবসময়ই বাউন্স ও গতি পাওয়া যায়। আমি মনে করি বোলাররা নির্ধারণ করে দেবে ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ও টেস্টের ভাগ্য। প্রতিপকে কম রানে আটকে দিতে দলের বোলিং বিভাগ কতটা ভালো করে, সেটাই মূল ব্যাপার হবে।” “কেউ যখন এই মুহূর্তে বিশ্বের শীর্ষ বোলারদের কথা বলেন, আমাদের মনে যে নামগুলো আসে, তারা সবাই এই সিরিজে মাঠে নামবে।” দুই দলের সবশেষ টেস্ট সিরিজে ২০১৭-১৮ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া পায়নি ব্যাটিংয়ের মূল দুই ভরসা ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভেন স্মিথকে। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ জয় করা তাই তুলনামূলক সহজ ছিল ভারতের জন্য। এবার দুই জনই আছেন প্রতিপ হিসেবে। জহির মনে করছেন, ভারতের অপোয় কঠিন লড়াই। “অস্ট্রেলিয়া দলে স্মিথ ও ওয়ার্নার এখন ফিরে আসায় ভারত আগের সফরের তুলনায় অবশ্যই এবার কঠিন প্রতিন্দ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। তবে এখানে কাউকে ফেভারিট বলা যাচ্ছে না, কারণ দুই দলেরই ব্যাটিং ও বোলিং বিভাগ মানসম্পন্ন। এগুলোই এই সিরিজকে উত্তেজনাপূর্ণ ও রোমাঞ্চকর করে তুলবে।” ২৭ নভেম্বর সিডনিতে ওয়ানডে দিয়ে শুরু দুই দলের সিরিজ। এরপর পর্যায়ক্রমে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট সিরিজ।

ভাগ