স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর শহরের মাড়োয়ারি মন্দির সংলগ্ন পতিতলায়ের সামনে মদ্যপ সিএনজি চালক লিটন ওরফে হেকমতকে মারধরের সাথে জড়িত মনির হোসেনকে অবশেষে আটকের কথা স্বীকার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের ভাড়া বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। যদিও গত রবিবার রাতে পুলিশ তাকে আটক করে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছিল। এদিকে লিটনকে আহতের ঘটনায় তার স্ত্রী জেসমিন বেগম হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগ এনে গত সোমবার রাতে কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন। মামলায় মনির হোসেনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
জেসমিন বেগম অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী লিটন সিএনজি চালক। গত রবিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে তার স্বামী হাটখোলা রোডের মাড়োয়ারি মন্দিরের সামনে মনিরের পান-বিড়ির দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। দোকানের সামনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে দু জনের মধ্যে তর্কাতর্কি ও মারামারি হয়। এরই এক পর্যায়ে মনির খুন করার উদ্দেশ্যে কাঠের টুল দিয়ে তার স্বামীর মাথায় আঘাত করেন। এতে তার স্বামীর গুরুতর জখম হন। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন তার স্বামীকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তার স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, এজাহারভুক্ত আসামি মনিরকে মঙ্গলবার ভোরে ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের বাসা থেকে আটক করা হয়। দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।





