স্টাফ রিপোর্টার, কেশবপুর (যশোর) ॥ কেশবপুর উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামের একটি মৎস্য ঘেরের পানি আটকানোর কারণে নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে পানিবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। প্রায় দেড় শ বিঘা জমি নিয়ে কন্দর্পপুর গ্রামের পশ্চিম হাজরা তলার কুড় ও অর্ধশত বিঘা জমি নিয়ে কন্দর্পপুর বানিয়ার পূর্ব কুড় বিল। দুটি বিলের জমির ঘের মালিক ওই গ্রামেরই বাসিন্দা খালিদ হোসেন। পানি আটকিয়ে রাখার কারণে গ্রামের উচুুঁ জমি ঘেরের জমির সাথে মিশে গেছে। ফলে আশপাশের কবরস্থান পানিতে ডুবে গেছে। কেউ মারা গেলে তাকে অন্য গ্রামে নিয়ে দাফন করতে হচ্ছে।
ওই গ্রামের আব্দুস সোবহান,আব্দুল মান্নান,আব্দুল কাদের ফকির,আমজেদ গাজী,রুহুল আমীন গাজী,আব্দুল হালিম,আব্দুল গণি,বাবর আলি গাজী,মোসলেম গাজী,আব্বাস উদ্দীন গাজীসহ অনেকের কবরস্থান এখন পানির নিচে। বিলের পাশে বড়েঙ্গা খালের সাথে বিলের পানি নিষ্কাশনের মাধ্যম খালের উৎস্য মুখে তিনটি মাটির বাঁধ দিয়ে পানি আটকিয়ে দেয়া হয়েছে। জমির মালিকরা জানান, তাদের সম্মতি না নিয়ে জোর করে ঘের করেছে। প্রভাবশালী ঘের মালিক খালিদ হোসেনের শত অপরাধ এলাকাবাসীর মুখবুজে সহ্যকরা ছাড়া প্রতিবাদ করার সাহস নেই কারো। ওই গ্রামের আমির আলির ২০শতক জমির শিমগাছ মরে গেছে। মজিবর রহমানের ১৬ শতক জমির কলাগাছ নিশ্চিন্ন হবার পথে বলে তারা জানান। এসবই হচ্ছে ঘের মালিক খালিদ হোসেনের একগুয়েমির কারণে বলে ওই গ্রামের সব বয়সী মানুষের অভিযোগ। এ ঘটনায় অসংখ্যবার ঘের মালিক খালিদ হোসেনের ০১৯২৩-৯৫১১৮৮ ও ০১৮২৩-৯৫১১৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।





